
রাজশাহী প্রতিনিধি :
রাজশাহীতে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর ঘটনায় উত্তাল রাজনীতি। বিক্ষোভকারীরা বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১২টার পর থেকে বুলডোজার ব্যবহার করে মহানগর আওয়ামী লীগ কার্যালয় গুঁড়িয়ে দেয়। এই আন্দোলন ভোর পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।
বিক্ষোভে অংশ নেয় জুলাই মঞ্চ ও এনএসিপির কর্মীরা, যারা রাজশাহীর সাহেববাজার ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মিছিল শুরু করে। বিক্ষোভকারীরা আওয়াজ তুলে দাবী করে হত্যাকারীদের শাস্তি ও ন্যায়বিচার। তারা ‘আওয়ামী লীগের আস্তানা ভেঙে দাও’, ‘হাদি ভাই মরল কেন’, ‘ভারতীয় আগ্রাসন রুখে দাও’ স্লোগান দেন।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আম্মা তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বুলডোজার নিয়ে এসে আন্দোলনে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান। এর প্রভাবে বিক্ষোভকারীরা দ্রুত সংগঠিত হয়ে মহানগর আওয়ামী লীগের অফিসে হামলা চালায়।
এই ঘটনা রাজনৈতিক অস্থিরতার পাশাপাশি তরুণ সমাজের অসন্তোষের চিত্র ফুটিয়ে তোলে। বুলডোজার দিয়ে অফিস ভাঙচুরের মাধ্যমে আন্দোলনকারীরা স্পষ্ট সংকেত দিয়েছে যে হত্যাকারীদের বিচারের দাবি অগ্রাহ্য করা যাবেনা।
রাজনীতি ও সমাজে এই ধরনের সংঘর্ষ ও বিক্ষোভের ঘটনা দেশের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগের কারণ। তরুণ প্রজন্মের রাজনৈতিক সচেতনতা বাড়লেও, সহিংসতা এড়িয়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের প্রয়োজনীয়তা পুনর্ব্যক্ত করছে এই ঘটনা।