
স্পোর্টস ডেস্ক রিপোর্ট :
পর্তুগালের এই দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ খেলোয়াড় তিনি। মেজর টুর্নামেন্টে খেলার অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো দলটির অধিনায়কও। আসছে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে ইতিহাসের প্রথম ও একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে ষষ্ঠবারের মত এই টুর্নামেন্টে খেলতে যাচ্ছেন আল নাসর তারকা। বয়স, খ্যাতি কিংবা অভিজ্ঞতার বিচারে ইউরোপে বর্তমানে রোনালদোর কাছাকাছি নেই অন্য কেউই। যা আসছে পর্তুগালের জন্য বেশ বড় পাওয়া হবে বলেই মানছেন দলটির কোচ রবের্তো মার্তিনেজ।
সেই ২০০৪ ইউরো দিয়ে পর্তুগালের হয়ে যাত্রা শুরু রোনালদোর। দুই দশক পরেও দেশটির হয়ে লড়ে যাচ্ছেন আন্তর্জাতিক ফুটবলের সর্বোচ্চ গোলস্কোরার রোনালদো। অভিজ্ঞতা থেকে তাই এখন নেতা হিসেবে শেখান নতুনদের, দেন দলের নেতৃত্ব। ২০১৬ সালে তার নেতৃত্বেই পর্তুগাল জেতে প্রথম ইউরো শিরোপা, যা দেশটির ইতিহাসের প্রথম মেজর শিরোপাও। ২০২৪ সালে এসে আবারও সেই শিরোপা ঘরে তোলার স্বপ্নে পর্তুগিজরা।
নামে ভারে দলটায় আছে বেশ কিছু তারকা। নামের পাশে আছে ফেভারিটের তকমাও। তবে উয়েফা.কমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্তিনেজ সবার চেয়ে এগিয়ে রাখলেন ৩৯ বছর বয়সী রোনালদোকে। “সে তার ষষ্ঠ ইউরো খেলতে যাচ্ছে। একমাত্র ফুটবলার যে পাঁচটা ইউরোতে খেলেছে। আমরা এমন একজনকে নিয়ে কথা বলছি যার অভিজ্ঞতার ঝুড়িটা বিশাল, যা আমাদের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ।”
পর্তুগালের জার্সিতে সর্বোচ্চ ম্যাচ কিংবা গোল সব রেকর্ডই রোনালদোর নামে। এমন একজনের ড্রেসিংরুমে থাকা অন্য ফুটবলারদের জন্য প্রেরণা বলেই মনে হচ্ছে মার্তিনেজের। “আমাদের ২৩ জন ফুটবলার আছে। আমরা দলের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি করি। কিন্তু রোনালদো তাদের সবাইকে প্রস্তুত হতে সাহায্য করে। তার পক্ষে যা যা করা সম্ভব, সে সবই করে। রোনালদো ড্রেসিংরুমে যা নিয়ে আসে, দুনিয়ায় অন্য কোনো ফুটবলার তা আনতে পারবে না।”
১৯ তারিখ চেক রিপাবলিকের সাথে ম্যাচ দিয়ে ইউরো যাত্রা শুরু হবে পর্তুগালের। গ্রুপ ‘এফ’ তাদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ তুরস্ক ও জর্জিয়া। এর আগে অবশ্য তারা খেলবে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ। শনিবার রাতে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে আর ১২ তারিখ আয়ারল্যান্ডের সাথে।