
🟥রমজানে মুখে দুর্গন্ধ দূর করার উপায় :
রমজান মাসে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কমপ্লেইন থাকে মুখে দুর্গন্ধ হওয়া, এ সময় খাদ্যাভাসের পরিবর্তনের পাশাপাশি দাঁতের যত্নের কিছু পরিবর্তন করতে হয়।
রোজায় সারাদিন না খেয়ে থাকার ফলে মুখে দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়,যেটা স্বাভাবিক। এ ছাড়াও সঠিকভাবে মুখ ও দাঁত পরিষ্কার করা না হলে দুর্গন্ধ আরও বেড়ে যায়।
কয়েকটি নিয়ম মানলেই রোজায় মুখের দুর্গন্ধ এড়ানো যেতে পারে।
▶️দাঁত ব্রাশ : রোজায় অন্তত দুই বার ব্রাশ করতে হবে। অবশ্যই সেহেরির পরে এবং ইফতারের পরে।
সারাদিন না খেয়ে থাকার ফলে মুখে দুর্গন্ধ হতেই পারে। তবে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হওয়ার মূল কারণ হলো দাঁতের ফাঁকে আটকে থাকা খাবার পচনের কারণে।
তাই সাহরির পরপরই ব্রাশ করলে দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা খাদ্যকণা পচে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হবে না। এজন্য সাহরির পরে দাঁত ব্রাশ করেই ঘুমানো উচিত৷ আবার ইফতারের পরও একবার দাঁত ব্রাশ করতে হবে।
▶️পেটের সমস্যা থাকলে: রোজার সময় অ্যাসিডিটি বা গ্যাসট্রিকের সমস্যা সবারই কমবেশি হয়ে থাকে। এ কারণেও অনেক সময় মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে৷
পেটের সমস্যা ছাড়া, নাক, কান বা গলায় প্রদাহের কারণেও দুর্গন্ধ হতে পারে।
▶️জিহ্বায় প্রদাহ থাকলে: জিহ্বার উপরে খাদ্যের প্রলেপ জমে সাদা স্থর পড়ে যায়৷ একসময় সেখানে জীবাণু হয়৷ এর ফলে প্রদাহ থেকে ভলাটাইল সালফার কম্পাউন্ড তৈরি হয় এবং মুখে দুর্গন্ধ হয়৷
এই সমস্যা থেকে দূরে থাকতে প্রতিদিন দু’বেলা দাঁত ব্রাশ করার আগে টাং স্ক্র্যাপার দিয়ে জিব পরিষ্কার করতে হবে।
▶️পেঁয়াজ-রসুন কম খাওয়া: রোজায় ভাজাপোড়া বা পেঁয়াজ-রসুন কম খাওয়া উচিত। এতে মুখের দুর্গন্ধও কম হবে সঙ্গে শরীরও সুস্থ থাকবে।তার চেয়ে বরং ফল ও সালাদ বেশি খাওয়া উচিত৷
▶️কুলকুচি করা: সাহরির পরে দাঁত ব্রাশ করার আগে কুলকুচি করে নিতে হবে। এরপর ডেন্টাল ফ্লস দিয়ে দাঁতের ফাঁক থেকে খাদ্যকণা যতটা সম্ভব বের করে দিতে হবে।
▶️মাড়ি থেকে রক্ত পড়লে: রোজায় দাঁত ব্রাশ করার সময় মাড়ি থেকে অনেকেরই রক্ত পড়ে। ভিটামিন স্বল্পতার কারণে এমনটি বেশি হয় অথবা যাদের দাঁতের গোড়ায় খাবার জমে ইনফেকশন হলে ব্রাশের সময় রক্ত পড়ে,এক্ষেত্রে দাঁত স্কেলিং করে নেয়া ভালো।
মাড়ি থেকে রক্ত পড়লে ইফতারিতে বেশি করে ভিটামিনজাতীয় ফল খেতে হবে।
🟠মুখ ও দাঁতের যে কোন সমস্যায় তোমাদের পাশে আছি 😊
Dr.Sharmin Sultana Rejvy
Contact:01717642526