
ডেস্ক রিপোর্ট :
পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে ঘরমুখো হাজার হাজার মানুষের ঢল দেখা গেছে ঢাকা-আরিচা ও নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কে। তবে গণপরিবহন থাকলেও ভাড়া বেশি নেওয়ার ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।
সোমবার (৮ এপ্রিল) দুপুরের পর থেকে সাভারের নবীনগর-চন্দ্রা ও ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে যাত্রীর ভিড় বাড়তে থাকে। সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে
ভাড়াও।
জানা যায়, সাভারের বাইপাইল থেকে সিরাজগঞ্জের ভাড়া ২৫০-৩০০ টাকা। তবে আজ ভাড়া গুণতে হচ্ছে এক হাজার টাকা। রংপুর রুটের ৫০০-৬০০ টাকার ভাড়া নেওয়া হচ্ছে ১ হাজার ৫০০ টাকা।
দুপুর থেকে সরেজমিনে সাভার বাসস্ট্যান্ড, নবীনগর, বাইপাইলসহ মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্টপেজগুলো ঘুরে এ দৃশ্য দেখা যায়। মহাসড়কের কিছু দূর পরপরই নিরাপত্তারক্ষা ও যানবাহন সঠিকভাবে পরিচালনায় পুলিশকে দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়।
পোশাক কারখানা ছুটি হওয়ায় ঈদে বাড়ি যেতে বাইপাইল এসেছেন সেজান মাহমুদ। যাবেন সিরাজগঞ্জে। সরকার নির্ধারিত ভাড়া অনুযায়ী তার ভাড়া হওয়ার কথা ৩০০ টাকা করে। তবে বেশ কয়েকটি বাস যাচাই করেও ১ হাজার টাকার নিচে কোনো বাস পাননি তিনি। শেষমেশ বাড়তি ভাড়া দিয়েই এনআর পরিবহনের বাসে উঠেছেন। সেজান বলেন, বাড়ি তো যেতে হবে, এখন বেশি ভাড়া দিয়েই উঠলাম।
একই অবস্থা নবীনগর বাসস্ট্যান্ড এলাকায়ও। এখানেও দেখা গেছে সারিবদ্ধ বাসের ভিড়। যাত্রীদের অভিযোগ, নির্ধারিত ভাড়ার তিন-চার গুণ ভাড়া নিচ্ছে পরিবহনগুলো।
নবীনগর থেকে পাটুরিয়া হয়ে রাজবাড়ি যাবেন কাউসার আহমেদ। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ করে তিনি বলেন, প্রতি বছরই ঈদে এরকম ভাড়া বেড়ে যায়। এখন বাধ্য হয়ে যেতে হচ্ছে।
এদিকে স্টপেজসহ সড়কের প্রতিটি পয়েন্ট অতিরিক্ত পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে। তবে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় চললেও পুলিশের কোনো তৎপরতা দেখা যায়নি।
এ বিষয়ে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আস্তে আস্তে যাত্রীর ভিড় বাড়ছে। সড়কে পুলিশ কাজ করছে। কোনো যানজটের খবর নেই। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয় আমাদের নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মোবাইল কোর্টও কাজ করছেন। কোনো অভিযোগ পেলেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।