বিকাল ৫:৩৬ সোমবার ২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতে কার কার সাথে আলাপ হয়েছে অনুমতি ছাড়া বলবো না: জি এম কাদের

স্টাফ রিপোর্টার :
জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের বলেছেন, ভারত সফরে বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সাথে আমার আলাপ হয়েছে। কার কার সঙ্গে এবং কি বিষয়ে আলাপ হয়েছে তা বলতে পারবো না, ওনারা চাইলে প্রকাশ করতে পারেন। আমার পক্ষে তাদের অনুমতি ছাড়া প্রকাশ করা সম্ভব নয়।

বুধবার (২৩ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টায় ভারত সফর শেষে দেশে ফিরলে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে এসব কথা বলেন তিনি।

জিএম কাদের বলেন, বেগম রওশন এরশাদ আমাদের ভাবী, তিনি আমাদের বড় ভাইয়ের স্ত্রী। বড় ভাইকে আমরা বাবার মতই দেখতাম, সে হিসেবে বেগম রওশন এরশাদকে আমরা মায়ের মতই জানি ছোটবেলা থেকে। তার সাথে আমার কোন সময়ই কোন দ্বন্দ ছিলো না, এখনো কোন দ্বন্দ নেই। কিছু মানুষ ষড়যন্ত্রমূলকভাবে “দেবর-ভাবীর দ্বন্দ” ছড়াচ্ছে, তারাই উস্কে দিচ্ছে।

তিনি বলেন, জাতীয় পার্টি যাতে শক্তিশালীভাবে দাঁড়াতে না পারে এবং আমাদের ইমেজ নষ্ট করতে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। তারা প্রমাণ করতে চায়, জাতীয় পার্টির শক্তি নেই, পার্টিতে ঐক্য নেই। ষড়যন্ত্রকারীরা নেতা-কর্মী ও দেশবাসীর মাঝে জাতীয় পার্টি নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। আমরা এই ষড়যন্ত্রের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। আমি মনে করছি বেগম রওশন এরশাদকে দিয়ে যারা এগুলো করাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া উচিত।
তিনি আরও বলেন, আমরা বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। দুটি দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। জাতীয় পার্টি সম্বন্ধে তাদের ভালো ধারণা আছে, তারা জাতীয় পার্টিকে সম্ভাবনাময় দল মনে করেন। তারা আশা করছেন, জাতীয় পার্টির সাথে তাদের সম্পর্ক ভবিষ্যতেও সৌহার্দ্যপূর্ণ থাকবে।
জিএম কাদের আরও বলেন, বাংলাদেশে একটি ভালো নির্বাচন দেখতে চায় ভারত। নির্বাচনের আগে ও পরে যেন কোন সহিংসতা না হলে ভারত খুশি হবে। এদেশে ভারতের অনেক বিনিয়োগ আছে, তাই ভারত চায় সুন্দর নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে পরবর্তী সরকার গঠন হোক। ভারত চায় আমরা সবাই মিলে যেনো সুন্দর নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করি। বাংলাদেশে কোন সহিংসতা না হয় এবং স্থিতিশীলতা যেনো নষ্ট না হয়।
জিএম কাদেরকে বিমানবন্দরে স্বাগতম জানাতে আরও উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় পার্টির মহাসচিব বীরমুক্তিযোদ্ধা মো. মুজিবুল হক চুন্নু এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য‌ মো. আবুল কাশেম, সাহিদুল রহমান টেপা, এস এম আব্দুল মান্নান, সুনীল শুভ রায় , মীর আব্দুস সবুর আসুদ, আলহাজ্ব শফিকুল ইসলাম সেন্টু, ব্যারিস্টার শামীম হায়দার‌ পাটোয়ারী এমপি, লে. জে. (অব) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এমপি, এডভোকেট মো. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, নাজমা আক্তার এমপি, লিয়াকত হোসেন খোকা এমপি, জহিরুল ইসলাম জহির, মোস্তফা আল মাহমুদ, আতিকুর রহমান আতিক, জহিরুল আলম রুবেল, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আমানত হোসেন আমানত,মোঃ ইলিয়াস উদ্দিন চেয়ারম্যান, নূরুল ইসলাম তালুকদার এমপি, সাজ্জাদ পারভেজ, ইকবাল হোসেন তাপস, মোঃ খলিলুর রহমান খলিল, ভাইস চেয়ারম্যান – আহসান আদেলুর রহমান এমপিসহ আরও অনেকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *