
নাটোর প্রতিনিধি :
নাটোরের সিংড়ায় প্রেম করে বিয়ে করার ৪ দিনের মাথায় মোছা. নূপুর বেগম (২৪) নামে নববধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনার পর থেকে স্বামী আজমল হক পলাতক রয়েছে।
রবিবার (০৭ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার সুকাশ ইউনিয়নের বাইগুনি গ্রামে স্বামীর বাড়ি থেকে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত ৩ এপ্রিল নন্দীগ্রাম উপজেলার নূপুরের সঙ্গে বাইগুনি গ্রামের মো. মোওলা শেখের ছেলে আজমলের (৩২) বিয়ে হয়। এর আগে গত বুধবার আজমলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের জেরে মা ও মেয়ে আজমলের বাড়িতে অবস্থান নেন। পরে গ্রাম্য মাতব্বরদের মাধ্যমে আজমল ও নূপুরের বিয়ে হয়।
প্রসঙ্গত, আজমল হকের সঙ্গে নূপুরের দ্বিতীয় বিয়ে হয়। স্বামী আজমল এর আগে দুটি বিয়ে করেছেন। আগের দুই স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে যান। শনিবার দিবাগত রাতে আজমল ও নূপুর ঘরে ঘুমিয়েছিলেন। সেহরির সময় প্রতিবেশীরা খবর পায় নূপুর মারা গেছেন। তবে প্রতিবেশীরা ঘরে এসে দেখেন নূপুরের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবে তার স্বামী আজমল ঘরে নেই।
খবর পেয়ে আজমলের বাড়িতে এসে নূপুরের বাবা লুৎফর রহমান বলেন, আমার মেয়েকে আজমল পিটিয়ে হত্যা করেছে। আমি আমার মেয়ের হত্যার ন্যায্য বিচার চাই।
সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে নূপুরকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে সঠিক তথ্য জানা যাবে। নূপুরের পরিবারের কেউ বাদী হয়ে মামলা করলে পুলিশ তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।