
আন্তর্জাতিক ডেস্ক রিপোর্ট :
পুলিশের গুলিতে তরুণ নিহতের ঘটনায় ফ্রান্সে চলছে সহিংস বিক্ষোভ। বিক্ষোভকারীরা প্যারিসের শহরতলির মেয়র ভিনসেন্ট জিনব্রুনের বাড়িতে জোরপূর্বক অভিযান চালানোর পর আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। এমন সময় তারা আগুন লাগিয়েছে যখন মেয়রের স্ত্রী ও সন্তানেরা বাড়ির ভেতরে ঘুমন্ত অবস্থায় ছিল। রবিবার (২ জুলাই) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাতে রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
মেয়র জিনব্রুন বলছেন, এ ঘটনায় তার স্ত্রী ও সন্তানেরা ভবন থেকে বেরিয়ে পালাতে গিয়ে আহত হয়েছেন। এমন ঘটনা যখন ঘটে, তখন বাড়িতে ছিলেন না মেয়র। তিনি বলেন, ‘আগের দুই দিনের মতোই রাত দেড়টার দিকে টাউন হলে ছিলাম আমি। বিক্ষোভকারীরা আমার বাড়িতে অভিযান চালায়। স্ত্রী, সন্তানদের ঘুমন্ত অবস্থায় বাড়িতে আগুন জ্বালিয়ে দেয় তারা।
মেয়রের বাড়িতে এমন হত্যা চেষ্টার তদন্ত করা হবে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন স্থানীয় প্রসিকিউটর। এছাড়া বিক্ষোভকারীদের আক্রমণের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হয়ে উঠেছে টাউন হল। তাই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানটির চারপাশে কাঁটাতারের ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে। এবং সেখানেই অবস্থান করতে হয়েছিল মেয়র জিনব্রুনকে।
প্যারিসে মঙ্গলবার পুলিশ ১৭ বছর বছরের তরুণ নাহেল এম’কে ট্রাফিক আইন ভঙ্গের কারণে থামতে বলে। কিন্তু পুলিশের কথা অমান্য করে গাড়ি চালানো অব্যাহত রাখে নাহেল। এ কারণে তার ওপর গুলি চালিয়েছে বলে দাবি পুলিশের। আহত তরুণ কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে মারা যায়। এরপর থেকেই দেশজুড়ে চলছে সহিংস দাঙ্গা । সূত্র: রয়টার্স