
ডেস্ক রিপোর্ট :
ঢাকায় ৫ গরু ব্যবসায়ীকে ট্রাকে তুলে ১৪ লাখ ১২ হাজার লুট এবং এক ব্যবসায়ীকে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে নাটোরের বিভিন্ন স্থান থেকে ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
লুটের সঙ্গে জড়িত আরও ১ জনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানায় পুলিশ। শনিবার (০১ জুলাই) রাতে নাটোরের বড়াইগ্রাম লালপুর ও গুরুদাসপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেফতার করা হয়। আর নিহত গরু ব্যবসায়ী শহিদুলের স্বজনরা হত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছেন।
নাটোরের পুলিশ সুপার সাইফুর রহমান বলেন, গত ২৭ জুন ঢাকার আফতাফ নগর এলাকায় কোরবানির হাটে ১৫টি গরু বিক্রি করেন বগুড়ার সারিয়াকান্দি এলাকার ৫ গরু ব্যাবসায়ী। এসময় নাটোর জেলার বিভিন্ন স্থানে ছদ্দবেশী ডাকাতদল ট্রাক নিয়ে তাদের বগুড়া নিয়ে যাবে বলে। তাদের ট্রাকে তুলে গাজিপুরের চান্দুরা এলাকা থেকে গরু ব্যবসায়ীদের নির্যাতন শুরু করে ডাকাতরা। তাদের হাত পা বেঁধে ও মুখে টেপ আটকে ২৪ ঘণ্টা ধরে লাঠি দিয়ে পেটায় ডাকাতদল। নির্যাতনে গরু ব্যবসায়ী শহিদুলের মৃত্যু হয়। ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ১৪ লাখ ১২ হাজার টাকা লুট করে নেয়।
২৮ জুলাই রাতে একজনকে সিরাজগঞ্জের হান্ডিয়াল এলায় এবং নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার আগ্রান এলাকায় নিহত শহিদুল সহ ৪ জনকে রাস্তায় ফেলে দেয়। এ ঘটনায় ২৯ জুন নিহত শহিদুলের ভাতিজা বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে বড়াইগ্রাম থানায় মামলা করেন। শনিবার রাতে নাটোরের বিভিন্ন স্থান জড়িতদের থেকে গ্রেফতার করা হয়। পাশাপাশি ডাকাতের কাজে ব্যবহৃত ট্রাকটি জব্দ করেছে পুলিশ। গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের দুপুরে আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ।
অপরদিকে পুলিশের আইজিপির পক্ষ থেকে নিহত শহিদুলের পরিবারকে ১ লাখ টাকা ও আহত ৪ জনকে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকার মানবিক সহায়তা দেয়া হয়েছে বলে জানান নাটোরের পুলিশ সুপার সাইফুর রহমান।
নিহত শহিদুলের চাচাতো ভাই হামিদুর জানান, এ হত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি চাই। যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা না ঘটে।