
বিনোদন ডেস্ক :
প্রকৃতি আর প্রাণীর সঙ্গে মিতালী ছিল তাঁর। কখনও তিনি শিম্পাঞ্জির চোখে চোখ রেখে অবলোকন করেছেন প্রাণ-প্রকৃতির বিস্ময়কর রূপ। কখনও-বা আবিষ্কার করেছেন ঘন জঙ্গলের মাঝে শিম্পাঞ্জিদের শক্তিশালী পারিবারিক বন্ধন আর সামাজিক জীবন। মানুষ ছাড়াও প্রাণী যে যন্ত্র ব্যবহার করতে পারে, জটিল সমাজ গড়ে তুলতে পারে এই বৈপ্লবিক আবিষ্কারের পেছনে যে মানুষটি ছিলেন, তিনি ড. জেন গুডঅল। একাধারে তিনি প্রাণীবিদ, নৃতত্ত্ববিদ ও সংরক্ষণকর্মী। বুধবার (১ অক্টোবর) পৃথিবীকে বিদায় জানালেন বিশ্বখ্যাত এই প্রাণীবিদ। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯১ বছর।এই প্রাণীবিদকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করলেন অভিনেত্রী জয়া আহসান। তাঁর প্রশংসায় ভাসলেন তিনি। সামাজিকমাধ্যমে রোববার (৫ অক্টোবর) জেনের বেশকিছু ছবি শেয়ার করে জয়া বলেন, ‘জেন গুডঅল। তাঁর নামই সব বলে দেয়। তাঁর সব ভালো, সবই মঙ্গলময়। কিছুদিন হলো তিনি দেহত্যাগ করেছেন। কিন্তু দেহত্যাগ করলেও তাঁর কীর্তি মঙ্গলের ধারা হয়ে আমাদের মধ্যে থেকে গেছে।’
যোগ করে আরও বলেন, ‘জেন প্রাণীদের নিয়ে গবেষণা করেছেন, অজস্র বই লিখেছেন। তাদের শুধু ভালোবাসেননি, আমাদেরও ভালোবাসতে শিখিয়েছেন। আমাদের বুঝিয়েছেন, ওরা ছাড়া আমরা অসম্পূর্ণ। ওদেরও জীবনযাপনের সক্ষমতা আছে, আপনজনের প্রতি মমতা আছে, যোগাযোগের ক্ষমতা আছে। মানুষের সঙ্গে তিনি প্রাণীদের একাত্মতা তৈরি করেছেন।’
সবশেষে এই অভিনেত্রী বলেন, ‘প্রাণ-প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসার ভেতরে জেন গুডঅলও আমাদের মধ্যে থেকে যাবেন, চিরদিন।’
প্রসঙ্গত, ড. জেন গুডঅলের মৃত্যুতে বিশ্বজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শোকপ্রকাশ করেছেন হলিউড তারকা মাইকেল ডগলাস, লিওনার্দো ডিক্যপ্রিও, মার্ক রাফালো, জেন ফন্ডা প্রমুখ।এদিকে, পশুপাখির প্রতি অভিনেত্রী জয়া আহসানের ভালোবাসার কথাও কমবেশি সবারই জানা। তিনি নিজেও পথের কুকুরদের জন্য কাজ করেন। ২০২১ সালে তাঁকে ‘প্রাণবিক বন্ধু’ সম্মাননায় ভূষিত করেছে দ্য পিপল ফর অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার নামের একটি সংগঠন।