
অনলাইন ডেস্ক :
জামায়াতে ইসলামী ২৯৮টি আসনে প্রার্থী ঠিক করেছে। দলের তৃণমূলের ভোটে এসব প্রার্থী ঠিক করা হয়েছে বলে জামায়াত জানিয়েছে। এর মধ্যে দুটি আসনে দলটির ঐতিহ্য ভেঙে প্রার্থী নিয়ে প্রকাশ্য অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। জামায়াতের জ্যেষ্ঠ নেতারা জানিয়েছেন, জোট গঠন হলে বা কোনো দলের সঙ্গে সমঝোতা হলে শরিক দলের সমর্থনে প্রার্থী সরিয়ে নেওয়া হবে। তাই কিছু আসনে প্রার্থী পরিবর্তন হতে পারে।
আওয়ামী লীগের পতনের পর বিএনপির মিত্র এ দলটি এখন তার নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। সংস্কারের বেলায়ও তারা কয়েকটি বিষয়ে বিএনপির বিপরীতে অবস্থান নিয়েছে। সর্বশেষ সংসদের উভয় কক্ষে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনের দাবিতে ছয়টি দলকে নিয়ে যুগপৎ আন্দোলনও করছে জামায়াত। পিআর দাবি আদায় না হলে নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা– ভেবে দেখার হুঁশিয়ারি দিলেও দলটি সব আসনেই প্রাথমিক প্রার্থী বাছাই করে গত জানুয়ারি থেকে ভোটের প্রচার শুরু করেছে। সারাদেশে তাদের নেতাকর্মীরা মানুষের ঘরে ঘরে যাচ্ছেন।
জামায়াত সূত্র বলছে, পিআরের দাবিতে শেষ পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। দাবি আদায় করা না গেলে বিদ্যমান পদ্ধতিতে নির্বাচনে কীভাবে ভালো ফল করা যাবে, সে প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা। যদিও তাদের প্রার্থীরা পিআরের পক্ষে বলছেন এবং ভোট চাইছেন।
জামায়াত গত বছরের নভেম্বর, ডিসেম্বরে প্রথম এবং গত জুলাইয়ে দ্বিতীয় পর্যায়ের জরিপ পরিচালনা করেছে বলে জানিয়েছেন এ জ্যেষ্ঠ নেতা। তাঁর দাবি অনুযায়ী, জামায়াত রংপুর বিভাগের ৩৩ আসনের সব, খুলনার ৩৫ আসনের সব, রাজশাহী বিভাগের ৩৯টি আসনের ১০-১২টি, বরিশালের ২১ আসনের তিনটি, চট্টগ্রামের ৫৮ আসনের ১২টি, সিলেটের ১৯ আসনের তিনটি, ময়মনসিংহের ২৪টি আসনের দুটি এবং ঢাকার ৭১ আসনের কয়েকটিসহ শতাধিক আসনে বিএনপির বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে পারবে। তবে জোট বা সমঝোতা হলে এসব আসনের কয়েকটি ছেড়ে দেওয়া হবে নির্বাচনী মিত্রদের।