
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় দুই মুখ ও দুই নাকের অদ্ভুত শারীরিক বৈশিষ্ট্যের বাছুরের জন্ম দিয়েছে একটি গাভী । সদ্যজাত বাছুরটিকে একনজর দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন উৎসুকরা।
উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নের ছিট পাইকেরছড়া গ্রামের কৃষক মো. হাতেম আলীর বাড়িতে মঙ্গলবার রাতে বাছুরটির জন্ম হয়।
প্রাণিসম্পদ বিশেষজ্ঞরা এ ধরনের ‘জ্ন্মগত ত্রুটি’ নিয়ে জন্মানো শাবক ‘খুব একটা বাঁচে না’ বললেও বাছুরটি এখনো সুস্থ আছে বলে জানিয়েছেন গরুর মালিক হাতেম আলী।
কৃষক হাতেম জানান, তিনি বাড়িতে দুটি দেশি জাতের গাভী পালন করেন। তার মধ্যে একটি গাভিকে ১০ মাস আগে শাহীওয়াল জাতের বীজ দিয়ে প্রজনন করিয়েছিলেন। সেই গাভীই মঙ্গলবার রাতে এমন বাছুর জন্ম দিয়েছে।
বাছুরটি নিজে থেকে মায়ের দুধ টেনে খেতে পারছে না জানিয়ে হাতেম আলী বলেন, “বাছুরটিকে ফিডারে করে দুধ খাওয়াতে হয়। দুইদিন থেকে আমার সাংসারিক কাজ করতে পারছি না। এই বাছুরের পিছনেই সময় দিতে হচ্ছে। আমি কোনদিন দেখিনি এ ধরনের বাছুর জন্ম নেয়।”
দুই মুখ, দুই নাক বিশিষ্ট বাছুরটিকে এক নজর দেখার জন্য ভিড় জমাচ্ছে এলাকার মানুষ।
প্রতিবেশী মাসুদ রানা বলেন, “বাছুরটির দুই মুখ রয়েছে এমন অদ্ভুত কথা শুনে আমি প্রথমে অবাক হই। পরে নিজের চোখে দেখলাম। এরকম গরু আমি জীবনে প্রথম দেখলাম।”
স্থানীয় পশু চিকিৎসক জাহিদুল ইসলাম বলেন, “আমি ওই গাভীকে শাহিওয়াল জাতের বীজ দিয়ে প্রজনন করিয়েছিলাম। এমন বাছুর জন্ম নেওয়ার কারণ বুঝতে পারলাম না।”
ভুরুঙ্গামারী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোছা. শামীমা আক্তার বলেন, “এটা একটা জন্মগত ত্রুটি। এ ধরনের প্রাণী খুব একটা বাঁচে না, বাঁচলেও খুব সামান্য সময়ের জন্য।”