
ডেস্ক রিপোর্ট :
আবদ্ধ স্বচ্ছ পানিতে ডিম পাড়ে ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশা, নোংরা বা অপরিষ্কার পানিতে নয়; এমন তথ্যকে মাথায় রেখে ডেঙ্গু প্রতিরোধে নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে সিটি করপোরেশন। যাতে সবশেষ সংযোজন ড্রোন দিয়ে আবাসন শনাক্ত।
মশক গবেষক দলের সদস্য ড. মোহাম্মদ ওমর ফারুক রাসেল জানান যে, শুধু পরিষ্কার পানিতে না আমাদের গবেষণায় নোংরা পানিতেও এডিস মশার অসংখ্য লাভা পাওয়া গেছে। এটি সম্পর্কে অসচেতনতায় বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা।
বিআইটিআইডি হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. মো. মামুনুর রশীদ বলেন, শুধু দিনে নয় আলো থাকলে রাতেও কামরায় এডিস মশা। তাই রাতে মশারি টানিয়ে ঘুমাতে হবে। এডিস মশা ভোরে আর বিকেলে ছাড়া অন্য সময় কামড়ায় না, এমন ধারণায় রাতের সময়টাতে মশারি না টানানোর মতো উদাসীনতা দেখা যায়।
প্রফেসর ডা. মো. আবদুস সাত্তার জানান যে, ডেঙ্গুতে জ্বর পাতলা পায়খানার বাইরে নতুন কোন উপসর্গ দেখা না গেলেও দ্বিতীয়বার ডেঙ্গু আক্রান্তদের দ্রুত শারীরিক অবনতি হচ্ছে। অন্যদিকে ১১ বছরের নিচে শিশুরাও রয়েছে ঝুঁকিতে।
চট্টগ্রামে গত জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন ৯শ ৪০ জন। যেখান মারা গেছেন ১৩ জন।