বিকাল ৫:৩৬ সোমবার ২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

একটু বৃষ্টিতে কালাইয়ের নুনুজ হাটে জলাবদ্ধতা, সড়কে গর্ত,জনদূর্ভোগ

জয়পুরহাট প্রতিনিধি :

নুনুজ হাট কালাই উপজেলার ধান(Rice)-আলুর(Potato)  বৃহৎ হাট। প্রতি বছর সরকার লাখ লাখ টাকা রাজস্ব আয় হলেও দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার হয়নি এ হাটের। একটু বৃষ্টি হলেই বড় বড় গর্তে পানি জমে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতার।

আর দুর্ভোগ পোহাতে হয় পথচারী ও হাটুরেদের। গত কয়েকদিনের বৃষ্টির পানি জমে থাকার কারনে এ হাটের দুইপাশে রাস্তাসহ অলিগলি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। তাই দ্রুত সংস্কারের দাবি করেছেন পথচারীসহ হাটে আসা ক্রেতা ও বিক্রেতারা।

পথচারী, ক্রেতা-বিক্রেতা ও ইজারাদারের সাথে কথা বলে জানা গেছে, সরকার প্রতি বছর লাখ লাখ টাকা রাজস্ব পাচ্ছে এ হাট থেকে। অথচ সংস্কারের দিকে কোনো নজর নেই। দীর্ঘদিন ধরে কোনো সংস্কারও করেননি। অথচ এলাকার মধ্যে ধান ও আলু বেচাকেনার জন্য বৃহৎ এই হাট।

এখানে বছরের প্রায় সময়ই আড়ৎ ব্যবসা চালু থাকে। সময়ে-অসময়ে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা এ হাটে ধান-আলু বেচাকেনা করেন। প্রতিদিন (Daily) গড়ে ২০ থেকে ২৫ ট্রাক ধান-আলু লোড হয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় যায়।

মোসলেমগঞ্জ-কিচক রাস্তার নুনুজ নামক স্থানে এ হাট। দুইপাশ দিয়ে দুটি পাকা রাস্তা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে হাট এলাকায় দুই রাস্তাসহ অলিগলি সংস্কার না করার কারনে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। একটু বৃষ্টি হলেই পানিতে গর্তগুলো ভরে যায়।

ফলে হাট এলাকা কাঁদা-পানিতে একাকার। গর্তগুলো ধীরে ধীরে বড় হয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে যানবাহন, পথচারী ও ক্রেতা-বিক্রেতারা। দিনের বেলায় দেখেশুনে এলাকা পারাপার হলেও রাতের বেলায় ঘটছে ছোট ছোট দুর্ঘটনা। এসবের কারণে ধীরে ধীরে এ হাট থেকে বিমুখ হচ্ছে ক্রেতা-বিক্রেতারা। সেই সাথে বন্ধ হবে রাজস্ব আদায়। আগামী বর্ষা মৌসুমের আগেই এ হাটের সংস্কারের দাবি করেছেন পথচারী, ক্রেতা-বিক্রেতা ও ইজারাদার।

সার ও কীটনাশক ডিলার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, কৃষিপণ্য নিয়ে প্রতিদিন ছোট-বড় অনেক যানবাহন এ হাটে যাতায়াত করে। বড় বড় গর্তের কারণে এসব যানবাহন হাটের ভিতরে প্রবেশ করতে পারেনা। দুরত্ব বেশি হওয়ার ফলে লোড-আনলোড করতে গিয়ে ব্যবসায়ীদের আলাদা করে অর্থ গুনতে হয়। আগামী বর্ষার আগেই রাস্তাসহ এ হাটের সার্বিক উন্নয়নের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

ধান-আলুর আড়ৎদার আব্দুল হাকিম বলেন, দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা ধান ও আলু কিনতে এ হাটে আসেন। কিন্তু হাটের রাস্তার যে অবস্থা তাতে পণ্য কেনার পর সঠিক সময়ে তারা ফিরে যেতে পারেন না। এ কারনে ব্যবসায়ীরা এ হাটে আসা কমিয়ে দিয়েছেন। এ অবস্থায় রাস্তা মেরামতের দাবি করেছেন তিনি।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *