
ঈশ্বরদী উপজেলা প্রতিনিধি : ঈশ্বরদী উপজেলায় পাকশী রেলওয়ে স্টেশন থেকে ২৪ জুন শনিবার Saturdayএই ব্যক্তির মরাদহ উদ্ধার করে পুলিশ। মৃত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত না না হওয়ায় আইন প্রক্রিয়ায় অনুযায়ী মরদেহ পাবনা জেলারেল হাসপাতলে ময়নাতদন্তে পাঠায় পুলিশ।
ময়নাতন্ত শেষে বেওয়ারিশ হিসাবে আন্জমান মফিদুলের মাধ্যমে পাবনাতে দাফন করা হয়। দাফনের পর জানা যায়, মৃত ব্যক্তি ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের নতুন রুপপুর গ্রামের পানের দোকানদার মধু হোসেনের ছেলে আজাদ।
পরিবারের লোকজন জানান, আজাদ কাজ শেষ করে শুক্রবার সারাদিন ও রাতে বাড়িতে আসেনি। ট্রেনে কেটে মারা যাওয়ার বিষয়টি পাবনা লাশ দাফনের পর সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে জানতে পারে।
নিহত আজাদের স্ত্রী (Wife)শাহানাজ বেগম জানান যে, লোক মারফত জানতে পারি আমার স্বামী কাজ শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে পাশের বাড়ির কয়েকজন ব্যক্তি আজাদকে মারতে তাড়া করেছিল। পরে আজাদ বাড়িতে ফিরেনি, তার কাছে কোন ফোন না থাকায় খোঁজ নিতে পারিনি। বিকালে সংবাদ প্রকাশের পর লোকমারফত জানতে পারি সে ট্রেনে কেটে মারা গেছে এবং তাকে পাবনায় দাফন করা হয়েছে। আমার স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে মেরে ফেলা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। সেতো আত্মহত্যা করার মানুষ নয়।
মরদেহ দাফন প্রসঙ্গে মিহির রঞ্জন দেবনাথ বলেন, মৃত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করতে আঙ্কুলের ছাপ নিয়ে কম্পিউটারের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্রের আঙ্গুলের ছাপ মেলোনোর চেষ্টা করা হয়। তিনি বলেন, রবিবার সকালে মৃত আজাদ হোসেনের বাড়িতে গিয়েছিলাম। আজাদের মৃত নিয়ে তাদের নানা অভিযোগের বিষয় শুনেছি। এখন তদন্ত করে ব্যবস্হা গ্রহণ করবো।