
ডেস্ক রিপোর্ট :
মাশরাফি বিন মর্তুজা। একজন জীবন্ত কিংবদন্তীর নাম। টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পর্যন্ত দেশের ১৮ কোটি মানুষের মাঝে এ নামটি শুনেননি এমন খুব কম মানুষই পাওয়া যাবে। মাশরাফিকে ভক্তরা ভালোবেসে কৌশিক নামে ডাকেন।
ব্যাক্তি মাশরাফিকে এখন মানুষ দুটো পরিচয়ে চেনে। প্রথম পরিচয় অর্থাৎ জাতীয় দলের সাবেক অধিনয়ায়ক ও ক্রিকেটার, যে পরিচয়ে তিনি ভালোবাসা কুড়িয়েছেন কোটি কোটি ভক্তের। তবে দ্বিতীয় পরিচয় অর্থাৎ নড়াইল ২ আসনের এমপি, এ পরিচয় দিয়ে তিনি হয়ে উঠেছেন জনমানুষের নেতা।
নড়াইলের কৌশিক রাজনীতিতে আসার আগে একটা আতঙ্ক ছিলো দর্শক-সমর্থকদের মনে। প্রশ্ন ছিলো, মাশরাফি কি পারবেন ক্রিকেটের মতো রাজনীতিতেও সফল হতে। তবে এ প্রশ্নের উত্তর পেতে খুব বেশি দেরী করতে হয়নি। মাশরাফি পেরেছেন জনমানুষের নেতা হতে। এখন নড়াইলের প্রতিটা মানুষ মাশরাফির জনসেবায় মুগ্ধ। দেশের সাবেক এই অধিনায়ককে পাশে পেয়েছেন নড়াইলের কৃষক থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী। নারী-পুরুষ সবাই।
মাশরাফির এতো বড় বড় পরিচয়, এতো এতো জনপ্রিয়তা। অথচ, কি সাদামাটা জীবন! পুকুর পাড়ে বাঙ্গালীদের প্রিয় পোষাক লুঙ্গি পরেই দেন ইন্টারভিউ। বন্ধু মুচি হলেও পাশে বসে সাধারণ মানুষের মতই নিচ্ছেন খোঁজখবর। করোনার সময় যখন হাসপাতালে ডাক্তার পাওয়া যাচ্ছিলো না তখন ছুটে গিয়েছেন হাসপাতালে, নিয়েছেন ব্যবস্থা। গ্রামে গ্রামে সাধারণ পোষাক পড়ে ছুটে গিয়েছেন, শুনেছেন জনমানুষের দুঃখ-কষ্ট।
সাধারণ ভোটারদের যেখানে সবচেয়ে বড় অভিযোগ, নেতাকে শুধু ভোটের সময়ই পাওয়া যায়। সেখানে মাশরাফিকে নড়াইলে মানবসেবায় পায়নি এমন অভিযোগ নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাশরাফিকে বলেন হিরার টুকরার মতো ছেলে। আসলেই তো তাই। দেশের মানুষ তো এমন নেতাই চায়, যে থাকবে সবসময় জনগনের পাশে।
মাশরাফির এমন সাদাসিধে জীবন কিন্তু লোক দেখানো না, নড়াইলের প্রতিটা মানুষই এই সাক্ষ্য দেবে এটাই অতি সাধারন মাশরাফী, আমাদের প্রিয় কৌশিক।