সন্ধ্যা ৬:১৩ সোমবার ২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রোদ-বৃষ্টিতে ছাতা হয়ে পড়ে প্রয়োজনীয়

 

আপনার সংবাদ ডেস্ক :

আবহাওয়া যেন কারও কথায় শুনতে চায় না
সকালে ঝুম বৃষ্ট তো দুপুর গড়াতেই কাঠফাটা রোদের আনাগোনা। রোদ কিংবা বৃষ্টি যাই থাকুক না কেন, বাইরে বের হওয়ার আগে ছাতাটা অবশ্যই মনে করে সাথে নিয়ে নিতে হবে।

প্রয়োজনীয় এই অনুষঙ্গটি শুধুই নিত্যদিনের ব্যবহার্য জিনিস হিসেবে নয়, সঙ্গী হিসেবে রাখতে হবে নিজের কাছে। বৃষ্টিতে নিজের মাথা বাঁচাতে অথবা ত্বককে রোদের প্রখরতা থেকে সরিয়ে রাখতে ছাতার বিকল্প একেবারেই নেই।

তবে ছাতা অনেকেই যেভাবে ঝামেলাযুক্ত অনুষঙ্গ হিসেবে ভেবে থাকেন, আদতে ছাতা কিন্তু ততোটাই জরুরি একটি পণ্য। শুধু জরুরি নয়, এখনকার সময়ে ফ্যাশন সচেতন মানুষদের কাছে চলতি সময়ের ফ্যাশনের অনুষঙ্গও হয়ে উঠছে ছাতা। ছাতার রকমভেদে এখনকার সময়ের তরুণীদের মাঝে  রঙিন ছাতার চাইতে প্রিন্টেড ছাতার চলটাই বেশি দেখা যায়। সাথে রয়েছে লেইস বসানো ছাতাও। ছাতায় ভিন্নতা ও ছাতার মাঝে সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলার মাঝে বিরাজ করে ছাতা পছন্দের ধরণ। তবে তরুণ ও বয়স্কদের মাঝে এক রঙা ছাতার প্রচলনটাই বেশি থাকে।

এদিকে ছাতা মূলত দুইটি ভিন্ন ঘরানায় পাওয়া যাবে বাজারে। ম্যানুয়াল ও অটোমেটিক। বলাই বাহুল্য, এখনকার সময়ে অটোমেটিক ছাতার ক্রেতাই বেশি রয়েছে বাজারে। সুইচের একটি বাটনেই ছাতা খোলা ও বন্ধ হওয়ার বিষয়টি বেশ চমৎকার।

তবে সকল শ্রেণির ক্রেতাদের মাঝেই ফোল্ডেবল ছাতার চাহিদা দেখা যায় সবচেয়ে বেশি। ভাঁজ করে রাখার ফলে বিশাল বড় ছাতা একদম ছোট হয়ে যায়। যা খুব সহজেই মাঝারি আকৃতির ব্যাগেও বহন করা যায়। এমন ধরণের ছাতার মেয়াদ এক বছর থেকে দুই বছরের মতো হয়ে থাকে। তবে ব্যবহার ও বহনে সুবিধা থাকায় বর্তমান সময়ে প্রায় সকল ক্রেতার কাছেই প্রাধান্য পাচ্ছে ফোল্ডেবল বা ভাঁজ করা ছাতা। তাই যেন ছাতা হয়ে দাঁড়িয়েছে রোদ-বৃষ্টিতে  উপকারী।

 

মডেল: অমরিকা চাকমা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *