রাত ২:৩৯ মঙ্গলবার ২৮শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৩ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিয়ের গুঞ্জন : সত্যিই কি তারা নিয়ে করেছেন

বিনোদন  প্রতিবেদক : তুমুল গুঞ্জন, তুমুল ভাইরাল। ভারতীয় দক্ষিণী চলচ্চিত্রের সুপারস্টার প্রভাস ও অভিনেত্রী আনুশকা শেঠির বিয়ের ছবিতে নেট দুনিয়া সয়লাব। খবর রটেছে এই জুটি বিয়ে করেছেন। যদিও ব্যক্তি জীবনের চাইতে তাদের পর্দা রসায়ন সবসময়ই মুগ্ধ করে দর্শকদের। অবশ্য বাস্তব জীবনেও এই জুটিকে একসঙ্গে দেখতে চান অনেকেই। অনেকদিন থেকেই গুঞ্জন ছিল – প্রভাস ও আনুশকার মধ্যে নাকি দূরত্ব তৈরি হয়েছে। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে দু’জনের বিয়ের ছবি। জনপ্রিয় এই দুই তারকা চুপিচুপি বিয়ে সেরে ফেললেন কিনা তা নিয়ে চলছে নেটিজেনদের মধ্যে নানা জল্পনা।

ভারতীয় একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দক্ষিণী বিয়ের সাজে আনুশকা শেঠী ও প্রভাসের ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। ছবিগুলোতে দেখা যাচ্ছে, একে অপরের পাশে হাসিমুখে দাঁড়িয়ে রয়েছেন আনুশকা – প্রভাস। এই ছবিগুলো প্রথমে দেখে যে কেউ মনে করতেই পারেন তারা নিশ্চয়ই বিয়ে করছেন। তবে এটা সত্যি নয়। তাদের বর – কনে সাজের ছবিগুলো বানানো হয়েছে গুগল এআইয়ের সাহায্যে। বাস্তব জীবনে তাদের দূরত্বের খবর পেতেই ভক্তরা নিজেদের মনের মতো রূপ দিলেন নিজেদের প্রিয় দুই তারকাকে।

জানা গেছে, আনুশকা শেঠির সঙ্গে দূরত্ব বাড়ানোর পরেই নাকি কৃতি শ্যাননে মজেছেন ‘বাহুবলী’ তারকা। ‘আদিপুরুষ’ ছবিতে একসঙ্গে কাজ করেছেন কৃতি ও প্রভাস। সেই ছবির সেটেই নাকি এরা একে অপরের প্রেমে পড়েন। দু’জনেই একে অপরের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। তবে সম্পর্ক নিয়ে এখনও মুখ খুলেননি দুই তারকা। মাস কয়েক আগেই এক সাক্ষাৎকারে বিয়ে প্রসঙ্গে আনুশকা বলেছেন, বিয়ে নিয়ে তেমন তাড়াহুড়ো নেই। যখন হওয়ার হবে, আর সেটা খুব স্বাভাবিক ভাবেই সেটা হবে। সব কিছুর একটা নির্দিষ্ট সময় রয়েছে বলেই বিশ্বাস অভিনেত্রেীর। ও দিকে ৪০ পেরিয়ে গেছেন প্রভাস। অভিনেতার মায়ের ইচ্ছে, এবার তার ছেলেটা সংসারী হোক।

এক সময় আনুশকা শেঠী ও প্রভাসের সঙ্গে প্রেমের জোর গুঞ্জন শোনা যেতো দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রিতে। ২০০৯ সালে ‘বিল্লা’ ছবির সেটে দেখা দু’জনের। সেই ছবিতেই প্রথম একসঙ্গে কাজ করেন প্রভাস – আনুশকা। তারপর ‘বাহুবলী’ সিনেমায় তাদের অনবদ্য যুগলবন্দি দেখে ভক্তরা বার বার চাইছেন জুঁটি বাঁধুন তারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *