
বাসুদেব বিশ্বাস,বান্দরবান : বান্দরবান জেলা উপযোগী বিনা উদ্ভাবিত আউশ ও আমন ধানের উচ্চ ফলনশীল জাতসমুহের পরিচিতি, চাষাবাদ ও বীজ সংরক্ষণ কৌশল নিয়ে কৃষক-কৃষাণী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে|
১০ মে (রবিবার) বাংলাদেশ পরমানু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা), উপকেন্দ্র,খাগড়াছড়ি এর আয়োজনে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বান্দরবানের সহযোগিতায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বান্দরবানের উপপরিচালকের প্রশিক্ষণ কক্ষে এই কৃষক-কৃষাণী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়|
এসময় প্রশিক্ষণে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বান্দরবানের উপপরিচালক আবু নঈম মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকার কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশন এর সিনিয়র স্পেশালিস্ট ড. মো.মনোয়ার করিম খান|
এসময় বিনা উপকেন্দ্র খাগড়াছড়ির উর্ধ্বতন ˆবজ্ঞানিক কর্মকর্তা রিগ্যান গুপ্ত, বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান ˆবজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড.খন্দকার মহিউল আলম অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কৃষক-কৃষাণীর উদ্যোশে গুরুত্বপূর্ণ মতামত ও পরামর্শ প্রদান করেন|
দুপুর থেকে শুরু হওয়া এই প্রশিক্ষণে বান্দরবান জেলার বিভিন্ন ওর্য়াড ও গ্রাম থেকে ৫০জন কৃষক-কৃষাণী অংশগ্রহণ করেন|
প্রশিক্ষণে বিনা উদ্ভাবিত জাত ও প্রযুক্তিসমুহের পরিচিতি, বিনা উদ্ভাবিত আউশ ও আমন ধানের চাষাবাদ পদ্ধতি, আউশ ও আমন ধানের রোগবালাই ও পোকামাকড় দমন, ধানের বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণ কলাকৌশল সর্ম্পকে বিশদ ধারনা দেন প্রশিক্ষকেরা|
এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে ঢাকার কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশন এর সিনিয়র স্পেশালিস্ট ড. মো.মনোয়ার করিম খান বলেন, আমাদের সকলের মাটির পরিচর্যা করতে হবে আর বিষমুক্ত ফসল উৎপাদন করে নিজেকে খেতে হবে এবং সবাইকে খাওয়াতে হবে| এসময় তিনি আরো বলেন, বিনা উদ্ভাবিত বিভিন্ন জাত ও প্রযুক্তি সর্ম্পকে আমাদের ধারনা থাকতে হবে এবং রোগবালাই ও পোকামাকড় দমন সর্ম্পকে সঠিক জ্ঞান অর্জন করে জমিতে প্রয়োগ করতে হবে|