সন্ধ্যা ৬:২৯ সোমবার ২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাঠাভ্যাস বৃদ্ধিতে বিশ্ব বই দিবস উপলক্ষে টঙ্গীতে শুচি পাঠচক্র ও পাঠাগারের আয়োজনে বিশ্ব বই দিবস পালন

টঙ্গী প্রতিনিধি :
২৩ এপ্রিল বুধবার সন্ধ্যা ৭টায় টঙ্গীর চেরাগ আলী মার্কেট শুচি পাঠচক্র ও পাঠাগারের কার্যালয়ে শুচি পাঠচক্র ও পাঠাগারের আয়োজনে বিশ^ বই দিবস পালিত হয়েছে। টঙ্গী কালচালার সোসাইটির সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা এবিএম সাইদুল হকের সভাপতিত্বে ও কবি আতিক শাহারিয়ার সঞ্চালনায় আলোচনা করেন যুগান্তর স্বজন সমাবেশ টঙ্গী শাখার সভাপতি অলিদুর রহমান অলি, টঙ্গী সরকারী কলেজের সাংস্কৃতিক শিক্ষক আজিজ টিপু, শুচি পাঠচক্র ও পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা শাহজাহান শোভন, টি.ডি.এইচ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক ফুয়াদ উদ্দিন সরকার, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, টঙ্গীর প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মুসাফির আতিক, টঙ্গী থিয়েটার সমন্বয় পরিষদের গণ সংযোগ সম্পাদক অমল কৃষ্ণ রায়, কবি ফাহাদ হাওলাদার, কবি টুটুল বাঙালী প্রমুখ।
টঙ্গী সরকারী কলেজের সাংস্কৃতিক শিক্ষক আজিজ টিপু বলেন, প্রতিদিন অত্যন্ত ২০মিনিট সংবাদপত্র পড়ার অভ্যাস যদি প্রতিটি পরিবারের থাকতো তাহলে সে পরিবারের শিশুরা বই পড়ার আনন্দ লাভ করতে উদ্ধুদ্ধ হত। আর প্রতিটি পাঠাগারের অনলাইন শ্রæতিরুপ তথা সবাইকে দ্রæত ডিজিটাল পাঠাগার করতে হবে। বিশ^ বইদিবসে এ স্বপ্নটা ছড়িয়ে পড়ু–ক।
টি.ডি.এইচ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক ফুয়াদ উদ্দিন সরকার বলেন, বই আর মলাটের ভিতরে আবদ্ধ নেই। বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রায় বই এখন পড়ার পাশাপাশি শোনারও বিষয় হয়ে গেছে। ই-বুক মানুষের সামনে অবারিত করেছে নতুন দুয়ার। তাই কাগজে ছাপানো বইয়ের ভবিষ্যত নিয়ে অনেকেই শংকিত।
শুচি পাঠচক্র ও পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা শাহজাহান শোভন বই পাঠের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন আগের দিনে সবার হাতে বই থাকতো আর আজ সবার হাতে মোবাইল থাকে। এমন একটা সময় পাঠাগার নিয়ে কাজ করা খুবই কষ্টকর। টঙ্গীতে টঙ্গী পৌরসভার একটি পৌর পাঠাগার ছিল সেখানে টঙ্গী পাঠক সমাজ নিয়মিত বিষয়ভিত্তিক বই পড়ে জ্ঞান অর্জন করত। কিন্তু গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন হওয়ার পর সেটা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। টঙ্গী পাঠাগার নামে একটি পাঠাগার কার্যক্রম চালু করার জন্য গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রতি দাবি করছি।
২৩ এপ্রিল। ‘বিশ্ব বই দিবস’। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য হচ্ছে – ‘রিড এন্ড এডভেঞ্চেয়ার’ অর্থাৎ ‘পড়ুন এবং বিচিত্র অভিজ্ঞতা অর্জন করুন’। ১৯৯৫ সালের ২৩ এপ্রিল থেকে ইউনেস্কোর উদ্যোগে দিবসটি পালন করা হয়। প্রতিবছর বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিবসটি পালন করে। ‘বিশ্ব বই দিবস’র মূল উদ্দেশ্য হলো-বই পড়া, বই প্রকাশ, বই এর ব্যবহার বৃদ্ধি, বইয়ের কপিরাইট সংরক্ষণ করা, ইত্যাদি বিষয়ে ব্যাপক আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *