সন্ধ্যা ৬:২৫ সোমবার ২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশের প্রথম ‘পাবলিক স্পিকিং অলিম্পিয়াড’ অনুষ্ঠিত, চ্যাম্পিয়ন রংপুরের আরোহী

অনলাইন ডেস্ক :        বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো বাংলাদেশের প্রথম ‘পাবলিক স্পিকিং অলিম্পিয়াড’। গতকাল শুক্রবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের লায়ন হুমায়ুন জহির মিলনায়তনে প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
দেশজুড়ে একাধিক ধাপের যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচিত ১২ জন প্রতিযোগী প্রেজেন্টেশন ও প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন। সবগুলো ধাপ অতিক্রম করে রংপুরের আরোহী আয়শা সালমা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। প্রথম রানার্সআপ হয়েছেন আদিবা সুলতানা আলিফা এবং দ্বিতীয় রানার্সআপ নির্বাচিত হয়েছেন সিলেটের ফৌজিয়া ইয়াসমিন।
অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (ডিসিসিআই)-এর সাবেক প্রেসিডেন্ট জনাব লায়ন বেনজির আহমেদ পিএমজিএফ এবং গ্লোবাল পাবলিক স্পিকার ও ট্রেইনার জনাব কাজী এম আহমেদ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ‘নিজের বলার মতো একটি গল্প’-এর প্রতিষ্ঠাতা জনাব ইকবাল বাহার, এবিসিডিই-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও জনাব কাজী রাকিবুদ্দিন আহমেদ, কাজী কনসালটেন্টস-এর পার্টনার প্রফেসর এসএম আরিফুজ্জামান, ই-ক্লাবের প্রেসিডেন্ট জনাব কামরুল হাসান, সান করপোরেশন লিমিটেড-এর সিইও জনাব লায়ন মো. লুতফুর রহমান এমজেএফ, এলিট পেইন্ট গ্রুপ অব কোম্পানিজ-এর সিএইচআরও ও বোর্ড সেক্রেটারি জনাব মুরাদ হোসেইন, গ্লোবাল ইয়ুথ পার্লামেন্টের সার্ক রিজনের ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর জনাব হাসান মাহমুদ, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জনাব আল মামুন রাসেল, বাংলাদেশ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর কে. এম. হাসান রিপন, স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্পের প্রেসিডেন্ট জনাব আরিফুল হাসান অপু, প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মো. জুলফিকার আলী, এইচআর প্রফেশনাল ও লিডারশিপ ট্রেইনার আলেয়া আকতারসহ আরও অনেকে।
আয়োজনের উদ্যোক্তা ও ‘পাবলিক স্পিকিং অলিম্পিয়াড’-এর প্রতিষ্ঠাতা জনাব মো. সোলায়মান আহমেদ জীসান বলেন, “বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মকে বিশ্ব দরবারে আত্মবিশ্বাসীভাবে উপস্থাপন করার জন্য দক্ষ বক্তৃতাশৈলী গড়ে তোলা জরুরি। তরুণরা যাতে তাদের ভাবনা, দৃষ্টিভঙ্গি ও নেতৃত্বের সক্ষমতা প্রাঞ্জলভাবে প্রকাশ করতে পারে সে লক্ষ্যেই এই আয়োজন। আমরা চাই, শুধু প্রতিযোগিতা নয়; বরং এটি হোক তরুণদের শেখার, অনুপ্রাণিত হওয়ার এবং নিজেদের বিকশিত করার এক মঞ্চ। ভবিষ্যতে আমরা এটিকে জাতীয় পর্যায়ের একটি ব্র্যান্ড প্রতিযোগিতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই, যা তরুণদের আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রতিনিধিত্ব করতে সহায়তা করবে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *