
স্টাফ রিপোর্টার :
দেশের অনেক স্থানে ঠিকাদারি কাজ করে থাকে এসএ এন্টারপ্রাইজ। অনেক সময় অন্যকে পাওয়ার দিয়ে নিজেদের কাজ করিয়ে নেয় প্রতিষ্ঠানটি। তবে সেটি করতে গিয়ে এবার প্রতারণার শিকার হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির মালিক দ্বীন ইসলাম। সেই কাজের বিল গায়েব করে দিচ্ছে ভুয়া নাম ধারণ করা প্রতারক ঠিকাদাররা। মূল ঠিকাদার সেজে একই নামে অ্যাকাউন্ট খুলে কিছু ব্যাংক কর্মকর্তা, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের পিয়নদের সহযোগিতায় এই প্রতারণা করে আসছে তারা।
ঢাকা মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা পুলিশ জানিয়েছে, একটি কাজ অন্য আরেকজনকে পাওয়ার দিয়ে করাতে গিয়েই হয়েছে বিপত্তি। কাজ করার পর মূল ঠিকাদারের নামে বিল উঠে। তখন ব্যাংকের কিছু অসাদু ব্যক্তি ও ভুয়া ঠিকাদার মিলে ভুয়া এনআইডিতে সেইম নামে অ্যাকাউন্ট খোলে। এরপর একই নামে খোলা অ্যাকাউন্টে কাজের মূল বিল বাবদ পাওয়া চেক ঢুকিয়ে ভাঙায় অর্থাৎ টাকা তুলে নেয়। এরকমভাবে একজন কলেজ পড়ুয়া নারী তার স্বামীর প্রতারণায় মূল ঠিকাদারের বিল গায়েব করেছেন।রাজধানীর কোতয়ালী থানায় দায়ের করা একটি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে এমন প্রতারণার তথ্য জানতে পারে ডিবি পুলিশ।
মামলার পর পুলিশ প্রথমে ভুয়া ঠিকাদার রমজান হোসেনকে আটক করে। এরপর তার স্ত্রী মোছা. দিলারাকে তার বাসা থেকে আটক করে এবং তার হেফাজত থেকে নগদ টাকা ও অন্যান্য মালামাল জব্দ করেন। পরবর্তীতে ওই মামলায় ডিবি পুলিশ ৪ নং আসামি জসিম উদ্দিনকেও আটক করেন। ১ ও ২ নং আসামি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেন।