রাত ১২:৩৪ মঙ্গলবার ২৮শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৩ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারে ৩য় শ্রেণির মাদ্রাসার ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা,আটক একজন

 

কক্সবাজার প্রতিনিধি :

কক্সবাজারের জেলী টেকনাফ থানাধীন গত গত ২৭ জুলাই ২০২৩ হ্নীলা ইউনিয়নের পশ্চিম শিকদারপাড়া এলাকা হতে অপহরণ করে নিয়ে যায় মোছাঃ ফারিহা খানম জেরিন (৮) নামের এক মাদ্রাসা পড়া ছাত্রীকে পরে গত ২৮ জুলাই তার লাশ উদ্ধার এবং অপহরণকারী হত্যাকারীকে আটক করেছেন র‌্যাব-১৫।

অতঃপর জানা যায় ৩য় শ্রেণীতে মাদ্রাসা পড়ুয়া শিশু মোছাঃ ফারিহা খানম জেরিন (০৮) কে অপহরণ করার পর ফারিহার মায়ের কাছে ০১৮৪৬-৪৫৫৫০৫ হতে ফোন দিয়ে মুক্তিপণ হিসেবে ৫ লক্ষ টাকা দাবি করে এবং মুক্তিপণ না দিলে সকালে মেয়ের লাশ পাবে বলে জানায়। অপহরণের খবরটি বেশকিছু সংবাদপত্রে প্রকাশ এবং একই সাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে ঘটনাটি সম্পর্কে র‌্যাব-১৫ অবগত হওয়া মাত্রই র‌্যাবের একাধিক আভিযানিক দল ভিকটিমকে উদ্ধারসহ অপহরণকারীকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি ও আভিযানিক কার্যক্রম শুরু করে।

এরই ধারাবাহিকতায় ২৮ জুলাই ২০২৩ খ্রিঃ র‌্যাবের আভিযানিক দল মাত্র ২৪ ঘন্টার মধ্যে ভিকটিমের লাশ উদ্ধার এবং ঘটনার সাথে জড়িত মোহাম্মদ এরফান (১৭), পিতা-মোঃ আলী আহমদ, মাতা-মরিয়ম আক্তার, পানখালী, ইউনিয়ন-হৃীলা, , দারুস সুন্নাহ মাদ্রাসা হতে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় । গ্রেফতারকৃত আসামীকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ জানা যায়, সে দারুস সুন্নাহ মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল আলী আহমদের ছেলে। ধৃত আসামী এবং ভিকটিম মোছাঃ ফারিহা খানম জেরিন বর্ণিত মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও দুঃসম্পর্কের মামা-ভাগ্নী। ঘটনার দিন অর্থ্যাৎ গত ২৭ জুলাই ২০২৩ খ্রিঃ বিকাল অনুমান ০৬.৩০ ঘটিকার সময় ফারিয়া খানম জেরিন বাড়ির পাশ্ববর্তী একটি দোকানে গেলে আসামী এরফান খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে সু-কৌশলে দারুস সুন্নাহ মাদ্রাসায় তার বাবার অফিস কক্ষে নিয়ে যায় এবং দরজা বন্ধ করে হাত-পা বেধে তাকে ধর্ষণ করে। এতে ভিকটিমের অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হলে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার জন্য আসামী এরফান নাইলন দড়ি দিয়ে শ্বাসরোধ করে ভিকটিমকে হত্যা করে। পরবর্তীতে ভিকটিমের পরিহিত কাপড়-চোপড় পলিথিনে করে আসামী এরফানের বাসার পার্শ্বে একটি নালায় লুকিয়ে ফেলে এবং গভীর রাতে লাশটি গুমের উদ্দেশ্যে উক্ত মাদ্রাসার পিছনে একটি নর্দমায় ফেলে চলে আসে। ধৃত আসামী আরো জানায়, সে বিষয়টিকে ধামাচাপা দেয়ার জন্য অপহরণের ঘটনা সাজিয়ে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *