রাত ১২:৩৮ মঙ্গলবার ২৮শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৩ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইংল্যান্ডকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো নারী বিশ্বকাপের শিরোপা স্পেনের

স্পোর্টস ডেস্ক রিপোর্ট :
এক মাসের লম্বা টুর্নামেন্টের পর ফাইনালের মধ্য দিয়ে পর্দা নামলো নারী বিশ্বকাপ ফুটবলের। রোববার (২০ আগস্ট) অল-ইউরোপিয়ান ফাইনালে স্পেনের মুখোমুখি হয় বর্তমান ইউরো চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড। অধিনায়ক ওলগা কারমোনার একমাত্র গোলে ইংল্যান্ডকে ১-০ গোলে হারিয়ে নারী বিশ্বকাপ নিজেদের করে নিয়েছে স্পেনের মেয়েরা।

সিডনির দর্শকভর্তি স্টেডিয়ামে ফাইনালের লড়াইয়ের শুরুটা ছিল তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক। ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলার চেষ্টা করে দুদল। তবে বল দখলে কিছুটা এগিয়ে ছিল স্পেন। আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে প্রথমার্ধের খেলা ছিল বেশ উপভোগ্য। দুদলই বেশকিছু সুযোগ হারিয়েছে শুরুর দিকে।
ম্যাচের ১৫ তম মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল ইংল্যান্ড। লরেন হ্যাম্পের শট বারে লেগে ফিরলে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ হাতছাড়া হয় তাদের। ১৮ তম মিনিটে পারাল্লুয়েলার শট দারুণ দক্ষতায় ফিরিয়ে দেন ইংলিশ গোলরক্ষক মার্টি ইয়ার্পস। ২২ তম মিনিটে স্পেনের আরও একটি দুর্দান্ত আক্রমণ ফিরিয়ে দেন ইংলিশ গোলরক্ষক।

ম্যাচের ২৯ তম মিনিটে ইংল্যান্ডকে স্তব্ধ করে স্পেনকে এগিয়ে নেন ওলগা কারমোনা। এক গোল হজম করে ম্যাচে সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে উঠে ইংলিশরা। তবে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি তারা। উল্টো বিরতির ঠিক আগে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পায় স্পেন। তবে স্প্যানিশ স্ট্রাইকারের শট গোলবারে লাগলে সে সুযোগ হারায় স্পেন।
ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে একাধিক পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামে ইংল্যান্ড। একের পর এক আক্রমণ করলেও গোলের দেখা পাচ্ছিল না তারা। বরং পাল্টা আক্রমণে গোল করার বড় দুইটি সুযোগ তৈরি করেছিল স্পেন। কিন্তু ইংলিশ গোলরক্ষক মেরি ইয়ার্পস সে যাত্রায় দলকে রক্ষা করেন।

ম্যাচের ৭০ তম মিনিটে দলের ত্রাণকর্তা হয়ে দাঁড়ান ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক ইয়ার্পইস। ইংলিশ ডিফেন্ডার ওয়ালশের হ্যান্ডবলে পেনাল্টি পায় স্পেন। হার্মেসোর নেয়া স্পটকিক দারুণ দক্ষতায় ফিরিয়ে দেন ইংলিশ গোলরক্ষক। ম্যাচের শেষদিকে ইংল্যান্ড আক্রমণের গতি বাড়ালেও ম্যাচের ফলাফলে কোনো পরিবর্তন আনতে পারেনি। ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার পরপর আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়ে স্প্যানিশ নারীরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *