রাত ৯:১৬ সোমবার ২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আবারও বিশ্বব্যাপী খাদ্যপণ্যের দাম বাড়লো

ডেস্ক রিপোর্ট :
আবারও বিশ্বব্যাপী খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (ফাও) সূচকে এমন চিত্র পাওয়া গেছে। এতে দেখা যায়, গত জুলাইয়ে বিশ্বজুড়ে নানা খাবারের গড় দর বেড়েছে। আগের মাসে যা গত ২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে নেমে গিয়েছিল।

এবার সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ালো নানা খাদ্যের মূল্য। সম্প্রতি কৃষ্ণসাগর বন্দর দিয়ে খাদ্যশস্য রপ্তানি থেকে সরে দাঁড়িয়েছে রাশিয়া। এতে ইউক্রেন থেকে খাদ্যপণ্য রপ্তানি নিয়ে নতুন করে শঙ্কা জেগেছে। এছাড়া বৈশ্বিক উৎপাদন হ্রাসের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। এতে বলা হয়, রাশিয়া-ইউক্রেন সংকটে আবার আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দাম বেড়েছে। সবধরনের খাদ্যশস্যের দর বৃদ্ধিতে যা বেশ ভূমিকা রেখেছে।

গোটা বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম পর্যবেক্ষণ করে ফাও সূচক। গত জুলাইয়ে যা ছিল প্রায় ১২৩ দশমিক ৯ পয়েন্ট। আর গত জুনে তা ছিল ১২২ দশমিক ৪ পয়েন্ট। ২০২১ সালের এপ্রিলের পর যে দর সবচেয়ে কম।

এক বিবৃতিতে ফাও জানিয়েছে, গত জুনের চেয়ে জুলাইয়ে ভোজ্যতেলের দাম বেড়েছে ১২ শতাংশ। বিশেষ করে সূর্যমুখী তেলের দর ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে ১৫ শতাংশ। এর আগে টানা ৭ মাস যার দরপতন ঘটেছিল।

ফাও সূচকে দেখা গেছে, গত মাসে বিশ্বজুড়ে সিরিয়েল, ভুট্টা, মাংস ও দুগ্ধপণ্যের দাম কমেছে। দক্ষিণ ও উত্তর আমেরিকায় উৎপাদন বৃদ্ধির আভাস পাওয়ায় ই নিম্নমুখিতা তৈরি হয়েছে।

আলোচিত জুলাইয়ে চালের দাম ব্যাপক ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। গত ১২ বছরের মধ্যে যা সর্বোচ্চ। বিশ্বের শীর্ষ রপ্তানিকারক ভারত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় এ ঊর্ধ্বমুখিতা তৈরি হয়েছে।

আলোচ্য মাসে গমের মূল্যও বেড়েছে। এতে অবদান রেখেছে রাশিয়া-ইউক্রেন দ্বন্দ্ব। তবে গত জুলাইয়ে চিনির বৈশ্বিক দর ৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এ নিয়ে টানা ২ মাস খাদ্যপণ্যটির দাম কমলো।

বিশ্বের দুই শীর্ষ উৎপাদক ব্রাজিল ও ভারত থেকে বিশ্ববাজারে সরবরাহ বৃদ্ধির সম্ভাবনা জেগেছে। ফলে ভোগ্যপণ্যটির দরপতন ঘটেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *