রাত ১:৫৬ রবিবার ১৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৬ বার গ্রেফতারের পরেও ২৫ বছর ধরে জাল টাকার ব্যবসা

স্টাফ রিপোর্টার :
জাল টাকা কারবারির মাফিয়া লিয়াকত হোসেন জাকির। তাকে লোকে ‘মাজার’ জাকির নামেও চিনে। কারণ তার সহযোগীদের কেউ গ্রেপ্তার হলে তিনি মাজারে গিয়ে কচ্ছপ বা শোল মাছকে নিয়মিত তবারক খাওয়াতেন।
২০১২ সালের পর থেকে জাকির ডিএমপিসহ দেশের বিভিন্ন থানায় ছয়বার গ্রেপ্তারের পরেও ২৫ বছর ধরে জাল টাকার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।
শনিবার দুপুরের পর রাজধানীর দনিয়ার কদমতলী এলাকায় জাল টাকার কারখানাসহ বিপুল পরিমাণ টাকা ও মুদ্রা জব্দ করে অভিযান শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য দেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের লালবাগ বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মশিউর রহমান।
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কদমতলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে দেশি-বিদেশি জাল নোট তৈরি চক্রের মূলহোতাসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) লালবাগ বিভাগ। গ্রেপ্তাররা হলেন-লিয়াকত হোসেন জাকির ওরফে মাজার জাকির ওরফে গুরু জাকির (৪০), তার দ্বিতীয় স্ত্রী মমতাজ বেগম (২৫), লিমা আক্তার রিনা (৪০) ও সাজেদা আক্তার (২৮)।
ডিসি মশিউর বলেন, গত ২৫ বছর ধরে জাল টাকার খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা করার পাশাপাশি বিভিন্ন মানের জাল টাকা ও জাল রুপি তৈরিতে অত্যন্ত দক্ষ লিয়াকত হোসেন জাকির। তিনি ২০১২ সাল থেকে ৫০০ ও ১০০০ টাকার জাল নোট তৈরি করলেও জনগণ যাতে সন্দেহ না করে সেজন্য বড় নোটের পাশাপাশি ১০০ ও ২০০ টাকার নোটও জাল করতো জাকির ও তার সহযোগিরা।
তিনি বলেন, বাজারে পাওয়া ২২ এমএম সাদা কাগজ, সাধারণ কালার ও প্রিন্টার দিয়ে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে জাল টাকা ও ভারতীয় মুদ্রা তৈরি করে আসছিলো চক্রটি। ঈদুল আজহাকে টার্গেট করে চক্রটি বিপুল পরিমাণ জাল নোট বাজারে ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলো।
জাল টাকার মাস্টারমাইন্ড জাকির সম্পর্কে ডিসি মশিউর বলেন: বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় জাল টাকার ছোট ছোট ঘরোয়া কারখানা স্থাপনকারীরা জাকিরের কাছ থেকে কারিগরি পরামর্শ নিতো বলে জাকিরকে ‘গুরু’ জাকির বলেও চেনে অনেকে।
এক প্রশ্নের জবাবে লালবাগের উপ-কমিশনার বলেন: আমাদের দেশে জাল টাকার মামলার বিচারে দ্রুত বিচার আদালত নেই। ফলে দীর্ঘ সময় ধরে বিচারকাজ চলায় আসামিরা কারাগার থেকে জামিন পেয়ে আবারও একই কাজে জড়িয়ে যায়। চক্রের মূলহতা জাকির ডিএমপিসহ দেশের বি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *