দুপুর ২:৪৯ সোমবার ২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফ্রাইপ্যানে তৈরি করুন গরুর শিক কাবাব

 

ঈদ পর্ব -৩

আসছে কুরবানির ঈদ, তাই আমরা অনেকেই কুরবানির মাংস দিয়ে  শিক কাবাব করতে চাই, কিন্তু পারি না, কারণ  কাঠ কয়লার ঝামেলা থাকে। তাই কাঠ কয়লার ঝামেলা ছাড়াই শিক কাবাবের রেসিপি দিলাম, এই কাবাব গ‍্যাসের চুলায় ফ্রাইপ‍্যানেই করতে পারবেন। এর স্বাদ একেবারেই কাঠ কয়লার শিক কাবাবের মত।

 

উপকরন:–
গরুর( Beaf) আস্ত চাকা মাংস (চর্বি পরিস্কার করা) –১কেজি
সরিষার তেল –আধা কাপ
পেয়াজ বেরেস্তা বাটা– ১ টে চা
পেপে বাটা — ৩ টে চা
লাল সরিষা বাটা– আধা টে চা( তিতা সরিষা দেবেন না)
শুকনা মরিচ গুড়া– আধা টে চা
হলুদ গুড়া –১ চা চা
আদা বাটা — ২ টে চা
রসুন বাটা– ১ টে চা
টক দই (পানি ঝরানো) — আধা কাপ
লেবুর( Lemon) রস — ১ টে চা
চিনি–১ চা চা
সাসলিক স্টিক- ১০/১২ টা
কাঠ কয়লা– ৪/৫ টুকরা
লবন — পরিমান মত
কাবাব মশলা গুড়া — (দারুচিনি ১ টুকরা,লবঙ্গ ৮ টা, সাদা গোলমরিচ ১৫ টা,কাবাব চিনি ২ চা চা, এলাচি ১০ টা, শাহজিরা ১ চা চা, মৌরি ১ চা চা, যত্রিক ৩টা পাতা, জায়ফল ১ টা, জিরা ২চা চা, ধনে ২ চা চা) সব উপকরন হাল্কা আঁচে মচমচে করে ভেজে গুড়া করতে হবে।

রান্নার প্রনালী:–
চাকা মাংস ২ ইন্ঞ্চি চওড়া করে স্লাইস করে নিন। কয়েকটা স্লাইস হবে। একটু পাতলা করে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে কাটতে থাকুন। সব কাটা হয়ে গেলে ধুয়ে পানি ঝরা দিন। মাংসের সাথে সব বাটা ও গুড়া মশলা, দই,তেল, চিনি(Sugar) ,লবন,লেবুর রস মিক্স করুন। এটা ২৪ ঘন্টা ফ্রিজের নরমালে ম‍্যারিনেট করতে হবে।
স্টিক কিছুক্ষন পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। মুছে মাংস গেথে নিন কাথা স্টিচের নিয়মে। ফ্রাই প‍্যান নরমাল ফ্লেমে গরম করে ১টে চা সরিষার তেল দিন, তেল গরম হলে মাংসের কয়েকটা স্টিক দিন। প্রথমে একটু পানি বের হবে, পানি শুকানোর পর ভাজা হতে থাকবে। যদি মাখানোর বাড়তি মশলা থাকে তাহলে ব্রাশ দিয়ে উপরে দিয়ে দেবেন। সব দিক বাদামি রং এ ভাজতে হবে। সব ভাজা হয়ে গেলে একটি বড় হাড়িতে সব ভাজা স্টিক রাখুন। মাঝখানে একটি স্টিলের বাটি বা ঐ সাইজের ফয়েল পেপারের টুকরা রাখুন। ২/৩ টা জ্বলন্ত কাঠ কয়লা দিন। কয়লার উপর ১টে চা সরিষার তেল ছড়িয়ে দিয়ে সাথে সাথে ঢাকনা দিন এমন ভাবে ঢেকে দিন যেন ধোঁয়া বেরুতে না পারে। ১৫/২০ মিনিট এভাবে রাখুন। এই ধোয়া শিক কাবাবের আসল ফ্লেবার আনবে।
এইবার  কাবাব পরিবেশন করুন  নান অথবা গরম পরোটা দিয়ে।

রেসিপিটি তৈরি করেছেন: নিশাত ফারজানা, একজন সৌখিন রন্ধনশিল্পী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *