বিকাল ৫:০১ সোমবার ২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রচলিত গুজব নিয়ে মুখ খুললেন পূজা ভাট

 

বিনোদন  প্রতিবেদক : প্রায় একযুগ ধরে গুজব চলমান যে, বলিউড তারকা আলিয়া ভাট নাকি সাবেক বলিউড তারকা পূজা ভাটের মেয়ে। আর মহেশ ভাটের কন্যা হলেন পূজা ভাট। আলিয়া ভাটও তার মেয়ে। যদিও মহেশ ভাটের দাম্পত্য জীবন নিয়ে কম চর্চা হয়নি। বিভ্রান্তি রয়েছে মহেশের ছেলে – মেয়েদের সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে। এক সময় গুজব ওঠে আলিয়া ভাট নাকি পূজা ভাটের মেয়ে। এই গুজব নিয়েই অবশেষে মুখ খুললেন মহেশকন্যা পূজা ভাট।

মহেশ ভাট বলিউডের অন্যতম নামজাদা পরিচালক। কিন্তু বিতর্ক তাকে বিভিন্ন সময় ধাওয়া করেছে। পুরনো একটি বিতর্ক আবার আলোচনায়। আলিয়া ভাট যখন বলিউড ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখেন, সেই সময় গুজব ছড়ায় পূজা নাকি নাকি আলিয়া’র মা। ভাট পরিবারের সম্পর্কগুলো এক সময় খুব বেশি প্রকাশ্যে না আসায় সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে নানা সময়ে। অবশেষে এই প্রসঙ্গে জবাব দিলেন পূজা। এই পূজা বলেন, এটা ভীষণ বোকা ব্যাপার। এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করতেও রুচিতে বাঁধে। এমন ভুল তথ্য যিনি ছড়িয়েছেন তাকে একটু ধরে আনা হোক। আসলে আমাদের দেশে এগুলো বহু আগে থেকেই চলে আসছে। কারও পরিবার নিয়ে নতুন নতুন গল্প তৈরি করে সেগুলো নিয়ে গসিপ করা।

আসলে মহেশ ভাটের তিন মেয়ে ও এক ছেলে। তাদের মধ্যে অভিনেত্রী পূজা সব থেকে বড়। মহেশের প্রথম স্ত্রী কিরণ ভাটের সন্তান রাহুল ও পূজা। দ্বিতীয় স্ত্রী সোনি রাজদানের দুই মেয়ে আলিয়া ভাট ও শাহিন ভাট। অর্থাৎ পূজা ও আলিয়া সৎ বোন। তাদের বয়সের পার্থক্য প্রায় ২১ বছরের। ১৯৭২ সালে জন্ম হয় পূজার। মাত্র ২০ বছর বয়সে পূজার মা লরেন ওরফে কিরণের সঙ্গে বিয়ে হয় মহেশের। যদিও সেই বিয়ে খুব বেশিদিন টেকেনি। এর মাঝে সোনি রাজদানের প্রেমে পড়েন পরিচালক। মহেশ যখন সোনির প্রেমে পড়েন, তখন তিনি কিরণ ভাটের সঙ্গে দাম্পত্যে আবদ্ধ। কিন্তু এমনই গভীর সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন তারা, পরস্পরের থেকে দূরে থাকতে পারেননি। অনুপম খেরের সঙ্গে ‘সারাংশ’ ছবিটির শুটিং চলাকালীন মহেশ এবং সোনির প্রথম দেখা। উল্লেখ্য, সোনিও এই ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। কিরণের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর সোনিকে বিয়ে করেন মহেশ। তাদের প্রায় সাঁইত্রিশ বছরের দাম্পত্য। দুই মেয়ের বাবা-মা তারা।

এই মুহূর্তে আলিয়া দেশের পয়লা নম্বর অভিনেত্রীদের অন্যতম। তাই তিনি যখন বলিউডে পা দেন একটা বিভ্রান্তি ছড়ায়। মহেশকে নিয়েও বিতর্ক কম হয়নি। কখনও আসলাম থেকে নাম বদলে মহেশ হওয়া। কখনও তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে চলেছে কাঁটাছেড়া। আর তার দাম্পত্য জীবন নিয়েও কম চর্চা হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *