বিকাল ৫:৫৩ সোমবার ২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকা -টাঙ্গাইল মহাসড়কের ৪০ কি.মি. জুড়ে যানজট

স্টাফ রিপোর্টার :
ঈদযাত্রায় প্রতি বছরই উত্তরের পথের যাত্রীদের শিকার হতে হয় ভোগান্তির। এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি। শুরুতে অনেকটা নির্বিঘ্ন থাকলেও গতকাল মঙ্গলবার থেকে এই পথের যাত্রীদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।
বুধবার (২৮ জুন) দুপুর নাগাদ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে প্রায় ৪০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে দেখা দিয়েছে যানজটের। গাড়ি থেমে থেমে চলছে। এর মধ্যে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি অব্যাহত আছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে ঈদে ঘরমুখো মানুষদের।
বুধবার সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে গিয়ে দেখা যায়, অসহনীয় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ঘরমুখো মানুষেরা। বিশেষ করে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন খোলা ট্রাক, পিকআপ ও মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফেরা মানুষগুলো। বাস, ট্রাক ও প্রাইভেটকার ছাড়াও বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব টোলপ্লাজা এলাকায় মোটরসাইকেলের অতিরিক্ত চাপ রয়েছে।
এদিন ভোররাত থেকে এই মহাসড়কের বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থেকে এলেঙ্গা দুই লেনের ১৪ কিলোমিটার সড়কে যানজট ছাড়িয়ে এলেঙ্গা থেকে চারলেনের সড়কের ঘারিন্দা পর্যন্ত ২৫ কিলোমিটারজুড়ে থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হয়। সকালে তা আরও বেড়ে মহাসড়কের বাঐখোলা থেকে টাঙ্গাইল বাইপাস পর্যন্ত প্রায় ৪০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়।
জানা যায়, বুধবার ভোরে বঙ্গবন্ধু সেতুর উপর সংঘর্ষ এবং একটি পিকআপ বিকল হয়ে যায়। পিকআপটি সরাতে এক ঘণ্টার বেশি সময় লাগে। এতে ভোররাত ৪টা ১৫ থেকে ৪টা ৫৩ পর্যন্ত টোল আদায় বন্ধ রাখে সেতু কর্তৃপক্ষ। এর আগেও কয়েক বার টোল আদায় বন্ধ রাখা হয়। এতে যানজট প্রকট আকার ধারণ করে মহাসড়‌কে।
পিকআপযোগে বাড়ি যাওয়ার পথে গার্মেন্টকর্মী রত্না বেগম, দিলরুপা খাতুন, মোজ্জামেল ও জামাল উদ্দিন বলেন, বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেল স্টেশন এলাকায় প্রায় এক ঘণ্টা ধরে যানজটে আটকা পড়েছি। তার মধ্যে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। পোলাপান নিয়ে কষ্ট হচ্ছে। তবুও বাড়ি তো যেতে হবে।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জাহিদ হাসান জানান, সেতুর ওপর ও মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে দুর্ঘটনার কারণে মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত যানবাহনের দীর্ঘ লাইন হয়। এতে চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। তাছাড়া বর্তমানে সড়কে যানবাহনের চাপ রয়েছে। তবে ধীরগতিতে যানবাহন চলছে। যানজট এড়াতে পুলিশ কাজ করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *