ভোর ৫:২৮ রবিবার ৩১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কোরবানি হলো আল্লাহ তাআলার নৈকট্য ও সন্তুষ্টি অর্জনের অন্যতম সেরা মাধ্যম : মাওলানা আবু হানিফা সিকদার

কোরবানি হলো আল্লাহ তাআলার নৈকট্য ও সন্তুষ্টি অর্জনের অন্যতম সেরা মাধ্যম।
আল্লাহ্ তাআলা কালামে পাকে এরশাদ করেন
لَن يَنَالَ ٱللَّهَ لُحُومُهَا وَلَا دِمَآؤُهَا وَلَـٰكِن يَنَالُهُ ٱلتَّقْوَىٰ مِنكُمْ‌ۚ كَذَٲلِكَ سَخَّرَهَا لَكُمْ لِتُكَبِّرُواْ ٱللَّهَ عَلَىٰ مَا هَدَٮٰكُمْ‌ۗ وَبَشِّرِ ٱلْمُحْسِنِينَ
লাইঁ ইয়ানা-লাল্লা-হা লুহূমুহা-ওয়ালা-দিমাউহা-ওয়ালা-কিইঁ ইয়ানা-লুহুততাকওয়ামিনকুম কাযা-লিকা ছাখখারাহা-লাকুম লিতুকাববিরুল্লা-হা ‘আলা-মা-হাদা-কুম ওয়া বাশশিরিল মুহছিনীন। সুরা হজ্ব আয়াত – ৩৭

ইরশাদ হচ্ছেঃ কুরবানী করার সময় খুব বড় রকমভাবে আল্লাহর নাম ঘোষণা করতে হবে। এজন্যেই তো কুরবানীকে নির্দিষ্ট করা হয়েছে যে, তাঁকে সৃষ্টি কর্তা ও আহার্য দাতা স্বীকার করে নেয়া হবে। কুরবানীর গোশত ও রক্ত আল্লাহর নিকট পৌঁছে না। এতে তার কোন উপকার নেই। তিনি তো সারা মাখলূক হতে বেপরোয়া ও অভাবমুক্ত। বান্দাদের হতে তিনি সম্পূর্ণরূপে অমুখাপেক্ষী। অজ্ঞতা যুগের এটাও একটা বড় বোকামি ছিল যে, তারা তাদের মূর্তিগুলি সামনে রেখে দিতো এবং ওগুলির উপর রক্তের ছিটা দিতো। এই প্রচলনও ছিল যে, তারা বায়তুল্লাহ শরীফের উপর রক্ত ছিটিয়ে দিতো। মুসলমান সাহাবীগণ এই সম্পর্কে প্রশ্ন করলে এই আয়াতটি অবতীর্ণ হয়)।সহীহ হাদীসে রয়েছেঃ আল্লাহ তাআলা তোমাদের দৈহিক রূপের দিকে দেখেন না এবং তোমাদের দিকেও তাকান না। বরং তার দৃষ্টি তো থাকে তোমাদের অন্তরের উপর এবং তোমাদের আমলের উপর।” অন্য হাদীসে রয়েছেঃ দান-খয়রাত ভিক্ষুকের হাতে পড়ার পূর্বেই আল্লাহর হাতে চলে যায়। কুরবানীর পশুর রক্তের ফেঁটা যমীনে পড়ার পূর্বেই তা আল্লাহর কাছে পৌঁছে যায়। ভাবার্থ এই যে, রক্তের ফোটা পৃথক হওয়া মাত্রই কুরবানী কবুল। হয়ে যায়।
তাফসীরে ইবনে কাছীরক

মাওলানা আবু হানিফা সিকদার

খতীব, গাজীপুরা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, গাজীপুর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *