রাত ৮:২৬ সোমবার ২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সেন্টমার্টিনে আটকা পড়েছেন ২ শতাধিক পর্যটক

সেন্টমার্টিন প্রতিনিধি :
কক্সবাজারে বৈরি আবহাওয়ায় সাগর উত্তাল থাকায় টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ রয়েছে; এতে দ্বীপটিতে আটকা পড়েছেন দুই শতাধিক পর্যটক।

শনিবার সকাল থেকে এই নৌরুটে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানান টেকনাফের ইউএনও মোহাম্মদ আদনান চৌধুরী।

তবে দ্বীপে আটকা পড়া দুই শতাধিক পর্যটকের যাতে কোনো ধরনের অসুবিধা না হয় তা নিয়ে ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

আদনান চৌধুরী বলেন, মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে সাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের কারণে শুক্রবার দুপুরের পর থেকে কক্সবাজারে বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে উপকূলের নৌযান সমূহকে সাবধানে চলাচল করতে নির্দেশনা দিয়েছে।

“শনিবার সকালেও তা অব্যাহত থাকায় টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ রাখতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

ইউএনও বলেন, চলতি মৌসুমে বুধবার থেকে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে প্রতিবন্ধকতা যাছাই করতে পরীক্ষণমূলকভাবে পর্যটকবাহী একটি জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে।

“শুক্রবার সকালে টেকনাফ থেকে সেই জাহাজে ৮৫২জন পর্যটক সেন্টমার্টিনে বেড়াতে যান। দুপুরের পর জাহাজটি ৬ শতাধিক পর্যটক নিয়ে টেকনাফ ফিরে এলেও অন্যরা রাত্রিযাপনের জন্য দ্বীপে অবস্থান করেন। শনিবার সকাল থেকে জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকায় ওই দুই শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েছেন। “

বৈরী আবহাওয়ার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আটকা পড়া পর্যটকদের ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান ইউএনও।

বিআইডব্লিউটিএ’র চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ও টেকনাফে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নয়ন শীল বলেন, চলতি মৌসুমে সাতদিনের জন্য পরীক্ষণমূলক চলাচলে এমভি বার আউলিয়া নামের জাহাজটিকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এতে সফলতা পাওয়া গেলে অন্যগুলোকেও চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে। এর মধ্যে কেয়ারি সিন্দাবাদ নামের আরও একটি জাহাজ চলাচলের অনুমতি চেয়ে বিআইডব্লিটিএতে আবেদন করেছে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *