সন্ধ্যা ৬:২৩ সোমবার ২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রকৃত অপরাধীকে ধরার জন্যই তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় চাওয়া হচ্ছে

ডেস্ক রিপোর্ট :
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলায় আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমার সময় ১০০ বার পেছাল। আগামী ১১ সেপ্টেম্বর পরবর্তী প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন ঠিক করেছেন আদালত।

সোমবার (৭ আগস্ট) মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন প্রতিবেদন দাখিল করেনি মামলার তদন্ত সংস্থা র‌্যাব। এজন্য প্রতিবেদন দাখিলের নতুন এ তারিখ ঠিক করেন ঢাকার মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রশিদুল আলমের আদালত।

এ সময় র‍্যাবের মুখপাত্র কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডের মামলার সন্দেহভাজনদের ডিএনএ ইউএসএ পাঠানো হয়েছে, তবে সন্দেহজনক ২ জনের ডিএনএ কার তা সনাক্ত করা যায় নি। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীকে সনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে যাতে নিরপরাধ কেউ ভুক্তভোগী না হয়। প্রকৃত অপরাধীকে ধরার জন্যই তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলে সময় চাওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় ২৫ জনকে সন্দেহ করা হয়েছিল, তবে এখনো সুনিশ্চিত করে কাউকে সনাক্ত করা যায়নি।

আলোচিত এ হত্যা মামলায় রুনির বন্ধু তানভীর রহমানসহ মোট আসামি আটজন। অন্য আসামিরা হলেন- বাড়ির নিরাপত্তারক্ষী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুণ, পলাশ রুদ্র পাল ও আবু সাঈদ। আসামিদের সবাইকে একাধিকবার রিমান্ডে নেওয়া হলেও তাদের কেউই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি নিজেদের ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়।

এরপর রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান। প্রথমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার এক এসআই। চার দিন পর চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়
দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে একই বছরের ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলাটির তদন্তভার র‍্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সেই থেকে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখনও মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি সংস্থাটি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *