রাত ১০:৫৮ সোমবার ২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৭৮ বছরে পা রাখলেন খুরশিদ আলম

বিনোদন প্রতিনিধি :

৭৮ বছরে পা রাখলেন কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী খুরশিদ আলম। এখনো তিনি গান নিয়েই ব্যস্ত সময় পার করছেন। সময়-সুযোগ পেলেই তাকে দেখা যায় গাইতে। বিশেষ এই দিন সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি সুস্থ আছি এটাই আল্লাহর কাছে শুকরিয়া। দেশে যদি ১৮ কোটি মানুষ থাকে। সেই ১৮ কোটি মানুষেরই ভালোবাসা পাচ্ছি। এর চেয়ে বেশি ভালো লাগা আর কী হতে পারে? গতকালও ফিরোজা বেগম স্বর্ণপদক পেলাম। আমার জন্য দোয়া করবেন।’

গুণী এই শিল্পী পরিবারের সঙ্গেই জন্মদিন উদযাপন করবেন।

খুরশিদ আলম

১৯৪৬ সালের ১ আগস্ট পুরান ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন খুরশিদ আলম। বাবা এ এফ তসলিম উদ্দিন আহমেদ, মা মেহেরুন্নেসা খানম। তিন ভাই, দুই বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। চাচা আবু হায়দার সাইদুর রহমানের হাত ধরে সংগীত জগতে প্রবেশ করেন খুরশিদ আলম।

১৯৬৯ সালে ‘আগন্তুক’ সিনেমায় সর্বপ্রথম গান করেন। দীর্ঘ সংগীত ক্যারিয়ারে ৪২৫টি সিনেমায় গান গেয়েছেন তিনি। অসংখ্য কালজয়ী গান করে শ্রোতাদের প্রিয় শিল্পী হয়েছেন খুরশিদ আলম।

তার গাওয়া ‘মাগো মা’, ‘মিসলংকা’, ‘চুমকি চলেছে একা পথে’, ‘ওই প্রেমের দরজা খোলো না’, ‘নাচ আমার ময়না’, ‘তোমার নামে শপথ নিলাম’, ‘শোনো ভাইয়েরা কথা শোনো’, ‘ওই আমি বাঘ শিকার যামু’, ‘ও সাগর কন্যারে’, ‘পাখির বাসার মতো চোখ দুটি তোমার’, ‘ও দুটি নয়নে স্বপনও চয়নে’, ‘ও চোখে চোখ পড়েছে যখনই’, ‘ধীরে ধীরে চল ঘোড়া’, ‘মুন্না আমার লক্ষ্মী সোনা আমার নয়নমণি’, ‘লেখাপড়া জানতাম যদি’, ‘এ আকাশকে সাক্ষী রেখে’সহ অসংখ্য জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন খুরশিদ আলম।

চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক করার পাশাপাশি একক অ্যালবামও প্রকাশ করেছেন খুরশীদ আলম। ২০০১ সালে ‘এই আকাশকে সাক্ষী রেখে’ ও ‘চুরি করেছো আমার মনটা’ শিরোনামে একসঙ্গে তার দুটি অ্যালবাম প্রকাশ হয়।

সংগীতের স্বীকৃতি স্বরূপ ‘চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস’-এ আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন খুরশীদ আলম। এছাড়া দেশ-বিদেশে অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন কিংবদন্তি এই সংগীতশিল্পী।

২০২৩ সালের ৩০ জুলাই তিনি পেলেন ফিরোজা বেগম স্বর্ণপদক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *