
মিরেরসরাই প্রতিনিধি :
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাইয়ের নয়দুয়ারিয়া, কলঘর, ছোট কমলদহ, হাদিফকিরহাট এলাকায় বিভিন্ন সময় রাতের আধারে ঘটছে ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের চেষ্টা।
এসব স্থানে মহাসড়কে চলাচলরত যানবাহন থামিয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে যাত্রী, গাড়ি চালক ও পথচারীর থেকে সর্বস্ব লুট করে নেয় ওৎ পেতে থাকা ডাকাত দল।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, রাতের আধারে ডাকাতরা এসব স্থানে রাস্তার ধারের জঙ্গলে লুকিয়ে থাকে। মহাসড়কে চলাচলরত গাড়ি থামিয়ে স্বর্ণ, টাকা, মোবাইল ফোন ও যাত্রীদের দামী মালামাল লুট করে নিয়ে যায় ডাকাত দল। ধস্তাধস্তির সময় আহতও হন একাধিক যাত্রী ও গাড়ি চালক।
এদিকে ডাকাতি প্রতিরোধে মহাসড়কের পাশের বেড়ে ওঠা ঝোপ-ঝাড় ও লতাগুল্ম পরিস্কারের যৌথ উদ্যোগ নেন মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.কবির হোসেন এবং কুমিরা হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহাদাত হোসেন।
বুধবার (৫ জুলাই) মিরসরাই উপজেলার খৈইয়াছড়া ইউনিয়নের নয়দুয়ারিয়া, হাদিরফকির হাট ও নিজামপুর এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রামের মহাসড়কের পাশে প্রায় ৩ কিলোমিটার এলাকার ঝোপ-ঝাড় পরিষ্কার করার যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ করেন তাঁরা।
এ বিষয়ে ওসি মো.কবির হোসেন জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাই উপজেলার হাদিফকিরহাট, নয়দুয়ারিয়া, ওয়াহেদপুর এলাকায় সড়কে ডাকাতি প্রতিরোধে আমরা পুলিশের পক্ষ হতে ঝোপ-ঝাড় ও লতাগুল্ম পরিস্কারের করার যৌথ উদ্যোগ নিয়েছি। এছাড়াও চুরি ডাকাতি রোধে স্থাপন করা হয়েছে সোলারস্টিট লাইট।
এসময় কুমিরা হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, রাতে আমাদের টহলরত পুলিশ ডিউটি করলেও তাদের চোঁখ ফাঁকি দিয়ে ডাকাতরা এসব ঝোড়-ঝাড় ও জঙ্গলে লুকিয়ে থাকে। বিভিন্ন সময় ডাকাতদল গাড়ির গতিরোধ করে দেশীয় অস্ত্রসহ নিয়ে গাড়ি চালক ও যাত্রীদের সর্বস্ব লুট করার চেষ্ঠা করে থাকেন। তাই মহাসড়ক নিরাপদ রাখতে এবং চুরি ডাকাতি প্রতিরোধে আমাদের এমন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।