
বানিজ্য ডেস্ক রিপোর্ট :
এক সপ্তাহের ব্যবধানে সোনালি মুরগির দাম বেড়েছে কেজি প্রতি ৩০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত। তবে ব্রয়লার ও দেশি মুরগির দাম আগের মতই স্থিতিশীল রয়েছে।
তবে চড়তে থাকা কাঁচামরিচের দাম গেল সপ্তাহের তুলনায় কমলেও এখনো চড়াই আছে। যদিও গেল সপ্তাহের চেয়ে কেজি প্রতি ৮০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকায়।
বিক্রেতাদের দাবি, কাঁচামরিচের যোগান কম থাকার কারণে এর দাম এখনো বেশি।
শুক্রবার ঢাকার মোহাম্মদপুরের শিয়া মসজিদ সংলগ্ন কাঁচাবাজার, কৃষি মার্কেট, টাউন হল বাজার ঘুরে দেখা যায়, সবজির দামও আগের মতই চড়া।
আর দাম বেড়ে চালের বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। বড় মাছের দাম স্থিতিশীল থাকলেও কোনো কোনো ছোট মাছের দাম বেড়েছে।
পেঁয়াজের বাজারে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। বড় রসুনের দাম কমলেও বেড়েছে ছোট রসুনের। আদা ও আলু দাম স্থিতিশীল রয়েছে।
শিয়া মসজিদ সংলগ্ন কাঁচাবাজারের সবজি বিক্রেতা মোহাম্মদ হাসান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “কাঁচা মরিচের কেজি ২৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দাম আগে আরও বেশি ছিল। কাঁচামরিচের সরবরাহ কম, তাই দামও বেশি। সামনে দাম কমবে আরও।”
বাজারে সোনালি মুরগি হচ্ছে কেজি ৩১০ টাকা থেকে ৩৩০ টাকা পর্যন্ত দরে, যা গেল সপ্তাহে ছিল ২৮০-২৯০ টাকা।
ব্রয়লার মুরগি আগের সপ্তাহের মত প্রতিকেজি ১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লাল লেয়ার মুরগি বিক্রি হচ্ছে গেল সপ্তাহের মত ৩০০ টাকা কেজি দরে।
দেশি মুরগির দামেও নড়চড় হয়নি। প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ টাকা দরে।
দেশি মুরগির ডিমের দামও স্থিতিশীল দেখা গেছে। গেল সপ্তাহের মত শুক্রবারও প্রতি ডজন বিক্রি হয়েছে ২৭০ টাকা টাকা দরে।
তবে প্রতি ডজন হাঁসের ডিম গেল সপ্তাহের চেয়ে ১০ টাকা বেড়ে ২১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর কোয়েলের ডিমের দাম আগের সপ্তাহের মতই প্রতি ডজন ৪৫ টাকা।
খামারের লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ডজন ১২০ টাকা দরে; সাদা ডিমের ডজন এর চেয়ে ১০ টাকা কম। গেল সপ্তাহেও এ দরে বিক্রি হয়েছে খামারের ডিম।