
নিজস্ব প্রতিবেদক:
দুদকের করা মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ও জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আবুল বারকাতের জামিন নামঞ্জুর করেছেন ঢাকার একটি আদালত। অন্যদিকে তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন অন্য আরেকটি আদালত।
আবুল বারকাতের পক্ষে এ সময় শাহিনুর রহমান রিমান্ডের বিরোধিতা করেন। পরে আদালত আবুল বারকাতের বক্তব্য শুনতে চান। বারকাত বলেন, চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনকালে ২০০’র অধিক বোর্ড মিটিং করেছি। এর মধ্যে এই ঋণের বিষয়টা ছিল। পরে বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংকে এনওসি’র জন্য পাঠায়। এ মামলায় যাদের নাম বলা হচ্ছে তা প্রশ্নাতীত। ব্যাংকে যারা ছিল তাদের নাম শুনেছি, চিনি না। চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনকালে ২০১৩ সালে আমার সময় জনতা ব্যাংকের সর্বোচ্চ প্রফিট (লাভ) হয়েছে, সর্বোচ্চ গ্রোথ হয়েছে। আর বলা হচ্ছে আমি জনতা ব্যাংককে ডুবিয়েছি, সর্বনাশ করেছি। জেনেশুনে আমি কিছু করিনি। পরে আদালত বলেন, বিপুল পরিমাণ ঋণ জালিয়াতির ঘটনা। যে প্রপার্টির জন্য ঋণ দেওয়া হয়েছে তা খুব কম। এমন ঘটনা নজিরবিহীন। প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হিসাবে তার অ্যাকশন নেওয়া দরকার ছিল। কিন্তু তিনি তা করেননি। তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হলো, যা পাঁচ কার্যদিবসে শেষ করতে হবে।