
বিনোদন প্রতিনিধি :
বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন ও মিডিয়া জগতে একজন নিরব অথচ গুরুত্বপূর্ণ নায়ক হচ্ছেন কাস্টিং ডিরেক্টর জিয়াউল করিম জিয়া। তিনি শুধু অভিনয়শিল্পীদের নির্বাচনই করেন না, বরং একটি প্রজেক্টের প্রাণ প্রতিষ্ঠায় রাখেন অসামান্য অবদান।
জিয়াউল করিম জিয়া স্থায়ীভাবে কাজ করছেন Aida Motion প্রোডাকশন হাউস -এর সঙ্গে,এছাড়াও ফ্রীল্যান্সার হিসেবে দেশের শীর্ষ প্রোডাকশন হাউজের সাথেও কাজ করেন। সুনামগঞ্জের ছেলে জিয়া ২০০৮ সালে কাস্টিং ডিরেক্টর হিসেবে যাত্রা শুরু করেন। এই পর্যন্ত তিনি ৬০০-৭০০ Tvc,Ovc এর কাস্টিং ডিরেক্টর হিসেবে নিজের দক্ষতার প্রমাণ রেখেছেন। গ্রামীণ ফোন,এয়ারটেল,বাংলালিংক, নগদ,ফ্রেশ, সিংগার,ওয়ালটন,এসএমসি,স্কয়ার, প্রাণ, আরএফএল, বসুন্ধরা গ্রুপ,আবুল খায়ের গ্রুপ,রুপচাঁদা,আকিজ গ্রুপ,এসিআই,পোলার আইসক্রিম,কুমারিকা হেয়ার ওয়েল বার্জার পেইন্টস,রিয়েলমি ফোন,ওপপো ফোন,সজিব গ্রুপ,নেসলে বাংলাদেশ,এপেক্স সু, ওরিয়ন সু,ট্রান্সকম, বিএসআরএম,সালাম স্টিল,স্ক্যান সিমেন্ট, হোলসিম সিমেন্ট,সুপার ক্রিট সিমেন্ট, এলজি, বাটারফ্লাই, দারাজ,রুপায়ন সিটি,যমুনা ফিউচার পার্কসহ নাম দেশের নামকরা কোম্পানির Tvc এর মতো আলোচিত বিজ্ঞাপন প্রজেক্টে কাস্টিং ডিরেক্টর হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
জিয়া বলেন“আমার কাজ শুধু মুখ বাছাই না, চরিত্রের আত্মা খুঁজে বের করা,” তিনি আরও মনে করেন, ভালো অভিনেতা নির্বাচন একটা বিজ্ঞাপনের অর্ধেক সফলতা।
বাংলাদেশের মিডিয়ায় কাস্টিং ডিরেক্টরদের তেমন স্বীকৃতি নেই বলে জানান তিনি। “আমরা আড়ালেই থাকি, কিন্তু গল্পটা জীবন্ত হয় আমাদের ছোঁয়াতেই,”।
জিয়াউল করিম জিয়ার মতো কাস্টিং ডিরেক্টররা শিল্পের মেরুদণ্ড। তাঁরা আড়ালের মানুষ হলেও সাফল্যের দৃশ্যপট তৈরিতে তাঁদের ভূমিকাই মূল।
–