বিনোদন প্রতিবেদক : গ্ল্যামারাস ও সেক্সী লুকের সুন্দরী অভিনেত্রী শ্বেতা তিওয়ারি। তিনি ভারতীয় ভোজপুরি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি ও টিভি সিরিয়ালের জনপ্রিয় মুখ। মাত্র ১২ বছর বয়সেই ক্যামেরার সামনে দাঁড়ান এই অভিনেত্রী। কয়দিন আগে ৪৩ বছরে পা রাখলেন এই অভিনেত্রী। কিন্তু তার চেহারা আর ধারালো ফিগার দেখে বোঝার উপায় নেই যে, তার ২৩ বছর বয়সী মেয়ে পলক তিওয়ারিও একজন বলিউড অভিনেত্রী। বলা যায়, বয়স ৪০ পেরুলেও নিজেকে এখনও দারুণভাবে ফিট রেখেছেন শ্বেতা। সমানতালে কাজ করে যাচ্ছেন নাটক ও চলচ্চিত্রে। তবে ক্যারিয়ারে সাফল্যে পেলেও ব্যক্তিগত জীবনে নানা কারণে আলোচিত ছিলেন তিনি।
ভারতীয় গণমাধ্যম থেকে জানা গেছে, মাত্র ১২ বছর বয়সে টিভি পর্দায় কাজ শুরু করা শ্বেতা নিজেকে পরিপক্ক করেছেন ধীরে ধীরে। বলিউড এবং হিন্দি সিরিয়ালে আসার আগে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন ভোজপুরি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে। সেখানে কাজ করার সময় শ্বেতা তিওয়ারি এবং পরিচালক রাজা চৌধুরীর ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে। বন্ধুত্ব থেকে শুরু হওয়া সেই সম্পর্ক ধীরে ধীরে প্রেমে রূপ নেয়। একপর্যায়ে তারা পরিবারের বিরুদ্ধে গিয়ে বিয়ে করেন। মাত্র কয়েকদিনের পরিচয়ে তাদের বিয়ের খবরে অবাক হয়েছিলেন নায়িকার ঘনিষ্ঠারাও। বিয়ের সময় শ্বেতা'র বয়স ছিল মাত্র ১৮ বছর।
জানা যায়, শ্বেতা'র পরিবারের সদস্যরা রাজা চৌধুরীকে বিয়ের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেনি। তবে এতেও কোনো কিছুরই পরিবর্তন হয়নি। বিয়ের পর ৯ বছর সংসার করেন এই দম্পতি। তাদের সংসারে একটি কন্যা সন্তান পলক এর জন্ম হয়। কিন্তু তারপর হঠাৎ করেই এই দম্পতির সুখের সংসারে ফাটল দেখা দিতে শুরু করে। দীর্ঘ ৯ বছরের সংসারের পর ২০০৭ সালে বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন তারা।
ডিভোর্সের পর মেয়ে পলককে একাই বড় করেছেন শ্বেতা। কয়েক বছর পর ২০১৩ সালে আবারও নতুন করে প্রেমে পড়েন তিনি। দ্বিতীয়বারের মতো বন্ধু অভিনব কোহলিকে বিয়ে করেন। কিন্তু শ্বেতা'র সেই সংসারও টেকেনি। ২০১৯ সালে অভিনবকে ডিভোর্স দেন শ্বেতা। সেই সংসারে একটি পুত্র সন্তানও রয়েছে। দুই সংসার ভাঙনের পর বর্তমানে দুই ছেলে মেয়েকে নিয়ে সিঙ্গেল জীবনই পার করছেন শ্বেতা। নতুন করেও আর কোনো সম্পর্কে জড়াননি তিনি।
জানা গেছে, শ্বেতা'র বিরুদ্ধে দ্বিতীয় স্বামী অভিনবের অভিযোগ রয়েছে। বিচ্ছেদের পর এখন ছেলের সঙ্গেও নাকি তাকে দেখা করতে দেন না শ্বেতা। তার দাবি - আমি শ্বেতাকে প্রায় ১০০টা ইমেইল করেছি, ছেলের সঙ্গে দেখা করতে চেয়ে। তবে শ্বেতা কোনোভাবেই দেখা করতে দেয়নি। আমি ছেলেকে দেখতে শ্বেতার পায়ে পড়তেও রাজি, তবে শ্বেতা কোনোভাবেই রাজি নয়।
প্রকাশক ও সম্পাদক | মনিরুল ইসলাম রাজিব | মোবাইল: 01923355655
নির্বাহী সম্পাদক | মোঃ তামিম খান | মোবাইল: 01826668486
Copyright © www.apnarsongbad.com