পাঁচবিবি( জয়পুরহাট) প্রতিনিধি :
জয়পুরহাটে নির্মানাধীণ ব্রীজের গর্তের খাদে পড়ে এমদাদুল হক ওরফে জোবাইদুল (৪৮) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের অপর এক আরোহী আহত হন। বৃহস্পতিবার সকালে পাঁচবিবি উপজেলার আওলাই ইউনিয়নের দরগাবাজার-কামদিয়া সড়কের দরগাবাজার এলাকায় এই দূর্ঘটনা ঘটে। পাঁচবিবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দূর্ঘটনার পর স্থানীয়রা ওই সড়কে বাঁশ ও চটের বস্তা দিয়ে ঝান্ডা টাঙিয়ে দিয়েছেন।
নিহত এমদাদুল হক পাঁচবিবি উপজেলার উচাই গ্রামের মৃত জাহের আলীর ছেলে । আহত শফির উদ্দীন আকন্দ উচাই জেরকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, প্রায় ২০ দিন আগে আওলাই ইউনিয়নয়ের দরগাবাজার-কামদিয়া সড়কের দরগাবাজারের পূর্ব পাশে রাস্তার মাঝখানে ব্রীজ নির্মাণের জন্য গর্ত খুঁড়ে ফেলা রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নির্মাণ শ্রমিকরা। চলাচলের জন্য পাশ দিয়ে মাটি ভরাট করে দিয়েছে। এতে করে কিছুটা অসুবিধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে সড়ক দিয়ে চলাচলরত যাত্রীদের। গর্তের দুই পাশেই ভালোভাবে ঝান্ডা বা বাঁশ না দেওয়ায়, গর্তে পরে আহত হচ্ছেন অনেকেই। এক সপ্তাহের ব্যাবধানে অপর আরেক মোটরসাইকেল চালক ওই গর্তে পড়ে আহত হন। দীর্ঘদিন থেকে ব্রীজের জন্য রাস্তা কেটে গর্ত খুঁড়ে ফেলে রাখায় বার বার দূর্ঘটনা ঘটায় স্থানীয় এলাকাবাসীরা দোষছেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে। তাদের অসচেতনতা ও উদাসীনতায় এখানে দূর্ঘটানায় মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয় এলাকাবাসী বাবুল হোসেন ও আনোয়ার হোসেন বলেন, রাস্তা কেটে ব্রীজের জন্য গর্ত খ্ুেড় ফেলে রেখেছেন। এতে করে প্রতিনিয়িত দূর্ঘটনা ঘটছে। ঠিকাদারের লোকজন গর্ত খুড়ে রেখেছে কিন্তু ওখানে যে ভালোভাবে বাঁশ দিয়ে ঝান্ডা টাঙিয়ে দিবে সেটা করেনি। এক পাশে শুধু চিকন একটা বাঁশ দিয়েছিল সেটাও নিচে পড়ে আছে। আজ ওই গর্তে পড়ে একজন মারা যাওয়ার পর বাঁশ ও চটের বস্তা দিয়ে ঝান্ডা টাঙিয়ে দিয়েছে স্থানীয়রা।
পাঁচবিবি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সাইট ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম বলেন, আমার জানামতে নওগাঁর এসডি ইন্টার প্রাইজ নামে একটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কাজটি পেয়েছেন। সম্ভবত উনারা জয়পুরহাটের কাউকে দায়িত্বে দিয়েছেন। কাজ দেখভালের দায়িত্বে কে আছেন, জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখনো ওইভাবে কার্যাদেশ দেওয়া হয়নাই। কারন কার্যাদেশে দেখভালের দায়িত্বে কে থাকবেন সেটি উল্লেখ থাকে। বিস্তারিত স্যার বলতে পারবেন।
এবিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মো.আব্দুল কাইয়ুমেকে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি।
প্রকাশক ও সম্পাদক | মনিরুল ইসলাম রাজিব | মোবাইল: 01923355655
নির্বাহী সম্পাদক | মোঃ তামিম খান | মোবাইল: 01826668486
Copyright © www.apnarsongbad.com