স্টাফ রিপোর্টার :
এবার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসকে দুপুরের খাবার খাওয়ালেন সংস্থাটির প্রধান হারুন অর রশীদ।
রোববার (৬ আগস্ট) দুপুরে পাইরেসি ও সাইবার বুলিং বিষয়ে ডিবি অফিসে অভিযোগ করতে এলে চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসকে দুপুরের খাবার খাওয়ান তিনি।
ডিবি কার্যালয় থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের সামনে সাইবার বুলিং নিয়ে অপু বিশ্বাস বলেন, অনেকে ফেসবুক ও ইউটিউবে ভিউয়ার্স বাড়ানোর আশায় সাইবার বুলিং করছেন।
তিনি বলেন, ‘লাল শাড়ি ছবিটি আমার অনেক কষ্টের। এই ছবিটি নিয়ে পাইরেসির কথা বলতে আমি ডিবিতে এসেছি আর পাশাপাশি আপনারা জানেন যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাইবার বুলিংটা অনেক বেড়ে গেছে।
কারণে-অকারণে ভিউয়ার্স বাড়ানোর আশায় সাইবার বুলিং করছেন। আর এটা মানুষের স্বাভাবিক জীবনকে বাধাগ্রস্থ করে, যা কোনভাবেই কাম্য নয়। কারণ আমরা সবাই পরিবার নিয়ে বসবাস করি। আমাদের একটি অবস্থান আছে। হয়তো আমরা চিত্রনায়িকা কিন্তু বিভিন্ন সময়ে অনেক নিউজের কারণে আমাদের নানা পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়।’
অপু বলেন, ‘আমি সাইবার বুলিংয়ের বিরুদ্ধে একটি সুষ্ঠু বিচার চেয়ে আবেদন করেছি। সাইবার ক্রাইমে যারা আছেন তারা আমাকে খুব সুন্দরভাবে আশ্বস্ত করেছেন। আরও একটা কথা বলতে চাই, আমরা আর্টিস্টরা বিভিন্ন দেশে যাই। সেখানে দেশের প্রতিনিধিত্ব করি। এরকমটা হলে আমাদের ইমেজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।’
‘লাল শাড়ি’ সিনেমাটির প্রযোজক অপু। এটি একটি অনুদানের ছবি জানিয়ে অপু বলেন, ভিউ বাড়ানোর প্রতিযোগিতার কারণে আমাদের নানা ধরণের পরিস্থিতির শিকার হতে হয়। সাইবার বুলিংয়ের নেতিবাচক প্রভাব খুবই ভয়াবহ হয়ে উঠেছে।
অপুর পরে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন ডিবির প্রধান হারুন অর রশিদ। তিনি সাংবাদিকদের জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেতিবাচক, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচারের অভিযোগ নিয়ে ডিবি কার্যালয়ে এসেছিলেন অপু বিশ্বাস।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ২৯ জুলাই ডিবি অফিসে হারুন অর রশীদের সঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের খাওয়ার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা যায়, গয়েশ্বরের প্লেটে খাবার তুলে দিচ্ছেন ডিবিপ্রধান। ওইদিন ধোলাইপাড়ে বিএনপির অবস্থান কর্মসূচিতে সংঘর্ষের পর দুপুর ১২টার দিকে তাকে নিয়ে আসা হয় ডিবি কার্যালয়ে। পরে বিকেল ৩টার দিকে ডিবি কার্যালয় থেকে গয়েশ্বরকে নয়াপল্টনে তার ব্যক্তিগত কার্যালয় পৌঁছে দেওয়া হয়।
প্রকাশক ও সম্পাদক | মনিরুল ইসলাম রাজিব | মোবাইল: 01923355655
নির্বাহী সম্পাদক | মোঃ তামিম খান | মোবাইল: 01826668486
Copyright © www.apnarsongbad.com